Ticker

100/recent/ticker-posts

Translate

নিয়ন্ত্রিত শিক্ষা

ভূমিকা :- শিক্ষা প্রক্রিয়ার চারটি উপাদান (factors) হল-(i) শিক্ষার্থী (pupil), (ii) শিক্ষক (teacher),( iii) পাঠ্যক্রম (curriculum), (iv) শিক্ষালয় (institution)।নিয়ন্ত্রিত শিক্ষার ক্ষেত্রে উল্লিখিত চারটি উপাদানই সুনিয়ন্ত্রিতভাবে অবস্থান করে। সুতরাং, যে শিক্ষাব্যবস্থায় চারটি উপাদান-শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পাঠ্যক্রম ও শিক্ষালয় সুনিয়ন্ত্রিত থাকে, তাকে নিয়ন্ত্রিত শিক্ষা (Formal Education) বলে।আবার যেহেতু এই শিক্ষা প্রক্রিয়া কিছু নিয়মের বন্ধনে বাঁধা, সেহেতু একে 'বিধিবদ্ধ শিক্ষা' বলা হয়। আবার যেহেতু এই শিক্ষা প্রক্রিয়া সমাজের বিভিন্ন প্রথা অনুসরণে চলমান, সেহেতু একে 'প্রথাগত শিক্ষা'ও বলা হয়ে থাকে।

নিয়ন্ত্রিত শিক্ষা:- শিক্ষাবিদ পি. ডি. শুক্লা (P.D. Sukla) প্রথাগত বা নিয়ন্ত্রিত শিক্ষা সম্বন্দে বলেছেন, "It is the traditional system in which the teacher and the taught face each other in a classroom situation on a regular and continuous basis, follow a fixed and predetermined syllabus, secure promotion to next class after passing a previous class, take a public examination at the end of the course and receive certificate, diploma or degree in accordance with the success in the examination." অর্থাৎ, নিয়ন্ত্রিত শিক্ষা হল গতানুগতিক এমন এক শিক্ষাব্যবস্থা যাতে পূর্বনির্ধারিত নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রম অনুসরণ করে শ্রেণিকক্ষে নিয়মিতভাবে বা ধারাবাহিকভাবে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী পরস্পরের মুখোমুখি হয়, পূর্বোক্ত শ্রেণিতে কৃতকার্যের পর পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়, অবশেষে সরকার নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষায় বসে এবং পরীক্ষা অনুযায়ী সার্টিফিকেট, ডিপ্লোমা বা ডিগ্রি পায়।

নিয়ন্ত্রিত বা প্রথাগত বা বিধিবদ্ধ শিক্ষার বৈশিষ্ট্যাবলি: নিয়ন্ত্রিত বা প্রথাগত বা বিধিবন্ধ শিক্ষার সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে এর কতকগুলি বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়। এর বৈশিষ্ট্যগুলি হল নিম্নরূপ-

১.শিক্ষার চার উপাদানের উপস্থিতি:-  নিয়ন্ত্রিত শিক্ষা প্রক্রিয়ায় চারটি উপাদান-শিক্ষার্থী (pupil), শিক্ষক (teacher), পাঠ্যক্রম (curriculum), শিক্ষালয় (institution) বর্তমান থাকে।

২.নিয়ন্ত্রিত শিক্ষা পরিকল্পনা:- নিয়ন্ত্রিত শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষার উপাদানগুলি সুনির্দিষ্ট, সুনিয়ন্ত্রিত ও পূর্ব-নির্ধারিত।

৩.লক্ষ্য সর্বাঙ্গীণ বিকাশ:- নিয়ন্ত্রিত শিক্ষার লক্ষ্য শিক্ষার্থীর সর্বাঙ্গীণ বিকাশ অর্থাৎ দৈহিক, বৌদিক, প্রাক্ষোভিক, সামাজিক প্রভৃতি দিকের বিকাশ।

৪.রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত:- নিয়ন্ত্রিত শিক্ষার আর্থিক দায় মূলত রাষ্ট্রের ওপর থাকে। রাষ্ট্র-প্রদর্শিত পথেই প্রতিষ্ঠানগুলি পরিচালিত হয়ে থাকে। যেমন-শিক্ষাকাঠামো, পাঠ্যক্রম, মূল্যায়ন পদ্ধতি সবই রাষ্ট্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে।

5.কঠোর নিয়মশৃঙ্খলা:- এই শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়কেই কঠোর নিয়মশৃঙ্খলা পালন করতে হয়। যেমন-সময়ে উপস্থিতি, পঠনপাঠন, শোভনীয় আচরণসহ অন্যান্য বিদ্যালয়-বিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হয়।

6.ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক:- নিয়ন্ত্রিত শিক্ষা ব্যবস্থায় ছাত্র-শিক্ষক নিয়মিতভাবে পরস্পর পরস্পরের মুখোমুখি হয় এবং শিক্ষা-প্রক্রিয়া মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে গড়িয়ে যায়। এর ফলে ছাত্র-শিক্ষকের ময়ে মধুর সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

৭.বয়সের বন্ধনঃ- প্রথাগত শিক্ষায় শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট বয়সের বন্ধনে বাঁধা হয়ে থাকে। যেমন-প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভরতি হতে হলে শিশুর বয়স পাঁচ বছরের কম হলে হবে না, আবার খু বেশি বয়সের ছেলে মেয়েদের প্রথম শ্রেণিতে ভরতি নেওয়া হবে না।

৮.নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রম:- প্রথাগত শিক্ষায় শিক্ষার্থীকে সরকার নির্দেশিত নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রম (curriculum অনুসরণ করতে হয়।

৯.পাঠ্যক্রম অনুশীলনের সময়সীমা:- প্রথাগত শিক্ষায় পাঠ্যক্রম অনুশীলনের সময়সীমা বাঁধা আছে যেমন-প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যক্রম অনুশীলনের সময় পাঁচ বছর, আবার মাধ্যমিক স্তরের ক্ষেত্রেও পাঁ বছর। শিক্ষার্থী বা অভিভাবকের ইচ্ছানুযায়ী ওই সময়সীমা হ্রাস করা যায় না।

১০.যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক:- প্রথাগত শিক্ষায় নির্দিও যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষকই শিক্ষাদানে ব্রতী হতে পারেন। কোন্ স্তরে কোন্ কোন্ যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক নিযুক্ত হতে পারবেন, তাও সরকার নিরিত করে দিয়ে থাকেন।

১১.নির্ধারিত শিক্ষালয়:-  কোন ধরনের শিক্ষালয়ে কোন্ ধরনের পাঠ্যক্রম অনুশীলিত হবে তা পূর্ব নির্ধারিত থাকে। ওই নির্ধারিত শিক্ষালয়ে কোন ধরনের শিক্ষার্থী শিক্ষাগ্রহণ করতে পারবে এবং সেখানে কোন্ ধরনের শিক্ষক থাকবেন, তাও নির্দিষ্ট থাকে।

১২.শিক্ষার্থীর ক্রম-উন্নয়নের ধারা: - প্রথাগত শিক্ষায় শিক্ষার্থীর ক্রমোন্নয়নের ধারা বজায় থাকে। অর্থাৎ, কোন্ শিক্ষার্থী কোন্ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার পর পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত হতে পারবে, শিক্ষার্থী বা অভিভাবকের ইচ্ছানুযায়ী ওই ক্রম লঙ্ঘন করা যাবে না।

১৩.দৈনন্দিন সময়-নির্ঘণ্ট (Time table): - প্রথাগত শিক্ষা দৈনন্দিন সময়-নির্ঘণ্ট (Time table) থাকে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে ওই নির্ঘণ্ট মেনে চলতে হয়।

১৪.পরীক্ষাব্যবস্থা:- প্রথাগত শিক্ষায় পরীক্ষা আবশ্যিক। যোগ্যতা নিরূপণের জন্য শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় বসতে হয়। পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী উচ্চতার স্তরে উন্নীত হবে কিনা তা ঠিক করা হয়।

উপসংহার: - প্রথাগত শিক্ষা কঠোর নিয়মের বন্ধনে বাঁধা। এখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর স্বাধীনতার সুযোগ খুবই কম। অতি পরীক্ষাকেন্দ্রিকতা এই প্রথাগত শিক্ষা, শিক্ষার্থীর মনে গভীর চাপের সৃষ্টি করে। তাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষিত মানুষকে 'কলে ছাঁটা মানুষ' হিসেবে বিবেচনা করে গেছেন। তবু বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, প্রথাগত শিক্ষা ব্যবস্থা, অনিয়ন্ত্রিত ও অপ্রথাগত শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বিশেষভাবে কার্যকারী।

নিয়ন্ত্রিত বা প্রথাগত বা বিধিবদ্ধ শিক্ষার ত্রুটি বা সীমাবদ্ধতা:- শিক্ষার প্রধান তিনটি রূপের মধ্যে নিয়ন্ত্রিত শিক্ষা পদ্ধতি অধিকতর কার্যকারী। তাই সমস্ত দেশেই প্রথাগত শিক্ষার ওপরই বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তা সত্ত্বেও প্রথাগত শিক্ষায় (formal education) বেশ কিছু ত্রুটি পরিলক্ষিত হচ্ছে। সেই ত্রুটিগুলি হল-

১.যান্ত্রিক ও কৃত্রিম:-  প্রথাগত শিক্ষা যান্ত্রিক ও কৃত্রিমভাবে পরিচালিত হয়। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের, সরকার নির্ধারিত বিধিনিষেধের মধ্যে যান্ত্রিকভাবে ঘোরাফেরা করতে হয়।

২.সুযোগসুবিধার অপ্রতুলতা :- স্বাধীন ভারতে স্বাধীন জনগণের মধ্যে শিক্ষালাভের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষাগ্রহণের পরিকাঠামো তৈরি করা রাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব হয়নি। ফলে সুযোগ প্রাপ্তির অপ্রতুলতার জন্য বহু শিক্ষার্থী শিক্ষালাভ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

৩.শিক্ষক নির্ভরতা:- প্রথাগত শিক্ষার সাফল্য বহুলাংশে যোগ্যতাসম্পন্ন সুশিক্ষকের পরিচালনার ওপর নির্ভরশীল। Friend, Philosopher and Guide হিসেবে শিক্ষা প্রক্রিয়া শিক্ষক দ্বারা অনেক সময়েই চলে না বলে প্রথাগত শিক্ষা যথাযথভাবে কার্যকারী হয় না।

৪.পরিবর্তনশীলতা জনিত ত্রুটি:-  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পাঠ্যক্রম পরিবর্তন হওয়া বাঞ্ছনীয়। কিন্তু অনেক সময়ই এই পরিবর্তন হচ্ছে না। ফলে পাঠ্যক্রমের এই পশ্চাদ্বর্তিতা প্রগতিশীল শিক্ষাক্ষেত্রে আঘাত হানছে।

৫.সময় তালিকার বন্ধন:-  প্রথাগত শিক্ষায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে নির্দিষ্ট সময় তালিকা অনুসরণ করে চলতে হয়। দৈহিক বা সামাজিক বা অন্য কোনো কারণে শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে না পারলে sigh সে পিছিয়ে পড়ে এবং এর প্রভাব পরীক্ষার ফলাফলের ওপর পড়ে।

৬.পুনঃভরতিতে বাধা:- শিক্ষা তো জীবনব্যাপ্ত প্রক্রিয়া। কিন্তু প্রথাগত শিক্ষা এই প্রক্রিয়ায় বাধার সৃষ্টি করে। কারণ কোনো শিক্ষার্থী শারীরিক অসুস্থতা বা পারিবারিক অসচ্ছলতা বা অন্য কোনো কারণে বিদ্যালয় ছেড়ে বেরিয়ে আসার দীর্ঘদিন পর ভালো হয়ে যদি আবার প্রথাগত শিক্ষার সুযোগ গ্রহণ করতে চায়, তাহলে পুনরায় ভরতি হতে পারবে না। সুতরাং, এই শিক্ষা প্রবহমান জীবনে নিরবচ্ছিন্ন নয়।

৭.ব্যক্তিস্বার্থ উপেক্ষিত: - শিক্ষার্থীদের মধ্যে দৈহিক, মানসিক, প্রাক্ষোভিক, সামাজিক পার্থক্য পরিলঞ্চিং হয়। কিন্তু প্রথাগত শিক্ষায় ওই দিকগুলির দিকে লক্ষ রেখে পৃথক পৃথকভাবে শিক্ষা পরিচালিত কর সম্ভব নয়। সুতরাং, এই শিক্ষা পদ্ধতিতে ব্যক্তিস্বার্থ যথাযথভাবে রক্ষিত হয় না।

৮.বৈচিত্র্যময়তার অভাব: - প্রথাগত শিক্ষার পাঠ্যক্রম বৈচিত্র্যময় নয়, এটি গতানুগতিক। সকল শিক্ষার্থীকে ওই একই পাঠ্যক্রম অনুশীলন করতে হয়, ফলে মনে যথার্থ তৃপ্তি আনয়ন করতে পারে না।

৯.পরীক্ষা কেন্দ্রিকতা:- প্রথাগত শিক্ষা সম্পূর্ণ পরীক্ষাকেন্দ্রিক। শিক্ষার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিরূপণের ক্ষেত্রে এখানে পরীক্ষা আবশ্যিক। মুখস্থ ও স্মৃতি-নির্ভর এই শিক্ষা শিক্ষার্থীর মানসিক ও চারিত্রিক বিকাশের ক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক নয়।

১০.শিক্ষার বিস্তৃতক্ষেত্র:- বিজ্ঞানের আশীর্বাদে শিক্ষার পরিধি আজ খুবই বিস্তৃত। ওই বিস্তৃত ক্ষেত্র নতুন নতুন তত্ত্বে ভরপুর, আবার সমস্যাও প্রচুর। শুধুমাত্র প্রথাগত শিক্ষার সাহায্যে সব কিছু সমাধান করাও সম্ভবপর নয়, তাই প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি প্রয়োজন অপ্রথাগত শিক্ষার (non formal education) ও অনিয়ন্ত্রিত শিক্ষার (informal education) প্রসার।

উপসংহার: - প্রথাগত শিক্ষার (formal education) কিছু ত্রুটি থাকলেও সেই ত্রুটিগুলি দূর করতে সরকার, শিক্ষক, অভিভাবক সকলকে সচেষ্ট হতে হবে। সকল রাষ্ট্র প্রথাগত শিক্ষার উন্নতিসাধনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কারণ প্রথাগত শিক্ষা ব্যতিরেকে অনিয়ন্ত্রিত শিক্ষার (informal education) ওপর নির্ভর করে সম্যক শিক্ষা প্রক্রিয়া চলতে পারে না। তবে প্রথাগত শিক্ষা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা মাথায় রেখে রাষ্ট্র এর আর এক সহযোগী শিক্ষাব্যবস্থা চালু করেছেন, যাকে বলা হয় অপ্রথাগত বা বিধিমুক্ত শিক্ষা (non formal education)।

প্রথাগত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-বিদ্যালয় (Institution of Formal Education- School):-শিক্ষার চারটি উপাদান হল (1) শিক্ষার্থী (pupil), (ii) শিক্ষক (teacher), (iii) পাঠ্যক্রম (curriculum), এবং (iv) শিক্ষালয় (institution)।শিক্ষালয় হল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, শিক্ষাকর্মীসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মিলনক্ষেত্র। এই মিলনকেন্দ্রে শিক্ষক, পাঠ্যক্রমকে অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে থাকেন। যে মিলনকেন্দ্রে কোনো পাঠ্যক্রমকে (Curriculum) কেন্দ্র করে শিক্ষক (teacher) এবং শিক্ষার্থীর (pupil) পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ায় (interaction), শিক্ষার্থী উদ্দেশ্যাভিমুখী জ্ঞানার্জন করে থাকে তাকে বলে বিদ্যালয় (school)। প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য, শিক্ষালয় (institution) হল প্রথাগত শিক্ষার সকল স্তরের সকল ধরনের প্রতিষ্ঠান। বিদ্যালয় হল শিক্ষালয়ের অন্তর্গত এক প্রতিষ্ঠান।

বিদ্যালয়ের ভূমিকা (Role of School):-বর্তমান যুগে বিদ্যালয়ের দায়িত্ব বহুমুখী। বিদ্যালয়ের বহুমুখী দায়িত্বগুলি হল-

১.বৌদ্দিক বিকাশে সহায়তা করা:-  বিদ্যালয়ের দায়িত্ব হল শিক্ষার্থীর বৌদ্ধিক বিকাশে সহায়তা করা) বর্তমানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নয়নের ফলে জ্ঞানের নতুন নতুন দিকের বিকাশ ঘটেছে। (বিদ্যালয়ের দায়িত্ব হল শিক্ষার্থীর বৌদ্ধিক বিকাশে সহায়তা করে উন্মোচিত দিকগুলির সঙ্গে যথার্থ পরিচয় ঘটানো।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ