> ভূমিতা। মানুষ সামাজিক জীব। সমাজের বিভিন্ন পরিস্থিতিতে আমরা বিভিন্ন ধরনের আচরণ করে থাকি। কিক কেন আমরা একই পরিধিতিতে জনাই এক ধরনের আচরণ করি না, এর কারণ হন্দ্যে আমাদের প্রত্যকের বাক্তিত্বই আলাদা। বাড়ির নিচয় বৈশিষ্টা ও পরিবেশগত উপাদানের সমন্বয়ের এর গঠন হচ্ছে। বাতিমের গঠন ও কিভাবে হয় তা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন তথ্য দেওয়া হয়েছে। এই তথাদ্রাসা অনেক কারণে সমালোচিত হাসেও মনোবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, সমাজবিদ, ও শিক্ষকদের, কান্ডে এগুলোর মূল্য অপরিদীন।
অর্থ "personality' শব্দটি গ্রীক শব্দ 'persona' থেকে ওদেখে, আর অর্থ হলো-mask বা মুখোশ। প্রিন দেশে নাটক মঞ্চস্ত করার সময় অভিনেতারা মুখোশ পড়তেন। অভিনেতার এই মুখোশ পরাকে Persona বলা যত। ম্যূতশ এর মাধ্যমে অভিনেতারা তাদের চারিত কে যশজের সামনে তুলে ধরতেন। ওইভাব অপরের নিকট ব্যাক্তি যেভাবে প্রতিভাত হয় ভাকেই ব্যক্তিত্ব ঐতিহাসিক গুরুত্ব বাড়িয় ব্যক্তিত্বের এই বুৎপত্তিগত অর্থ আজ মূল্য নেই। বর্তমানে দার্শনিক, মানাবিদ, এবং সমাজবিদগণ বাক্তিয়াক বিভিন্ন ভয়াব ব্যাখ্যা করেছেন। সেই সংজ্ঞা প্রণির নিয়াতস-
সংজ্ঞা বিশিষ্ট মানাবিদ মটন প্রিন্স (marton prince) বাক্তিদয়া হলো বাড়ির সাধারণ জৈবিক আকাঙ্ক্ষা এবং অভিনটি।
নক এর মতে- যে ব্যাক্তি চিন্তন, বিচারকরন এবং আবৃষ্টি দ্বারা অহং সত্তাকে উপলব্ধি কারাত সপ্তম নেই বাক্তির বাক্তিত্বের অধিকারী।
Warren আনোদন বাক্তিত্ব হন কোন বাজির টিয়া, অনুভূতি, ইশা এবং শারীরিক বৈশিষ্টা দস্যুদ্ধের সমন্তই সংগঠন এক বাড়িকে অন্য বাড়ি থেকে পৃথক করে।
কেম্প বলেছেন বাড়ির নিজস্বভরে পরিচায়ক অভিযোজন সহায়ক অভ্যদের মনস্থর হল বাক্তিত্ব।
> রাফির সম্পর্কে আলগোটের ব্যাখ্যাঃ বিশিষ্ট মানাবিদ আনপোর্টি (Alport) দীর্ঘদিন বাড়িয়ের ওপর গবেষণা করেখেন, ভাই এই গবেষণা ও গীর অধ্যয়ন বাড়ায়া অভায় শুদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে এনেছে। তার মতে- 'পরিবর্তনশীন 'মক্তিয় তৈব মানসিক মত্ততার যে সমন্বয় বাড়ির অভিযোজন মূলক আচরণে তার নিজস্বতা প্রকাশে সহায়তা করে তাই হল, বাক্তিত্ব। Personality is the dynamic organisation in the individual of those psycho-physical system that determine his adjustment to his environment
* আলগোট এর দেওয়া সংজ্ঞাটি ননস্ততত্ব অগতে যথেষ্ট সমাদৃত। এই সংজ্ঞায় প্রবেমত প্ররুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা করলেই বোঝা যায় কক্তির সব দিকগুলি ওখানে বিবেচিত হয়েছে।
যেমন-১) গতিশীল সংগঠন (Dynamic organisation) বলতে বোঝায় ব্যক্তিত্ব স্থির বয়, গতিশীল এবং সংগঠিত।
২) জৈব মানসিক সত্তা (psycholophysigical system) বলতে বোঝায় এটি পুরোপুরি মানসিক বা শারীরিক নয় মানসিক ও শারীরিক উভয় মত্তাই বর্তমান এবং এগুলি অভ্যন্তরীণ ও বাধিক পরিবেশের সঙ্গে মিথস্ক্রিয় করা।
৩) নির্ধারণ (Determine) শব্দটির অর্থ হলো, জৈব মানসিক সত্তা (psycho-physical systems) ব্যক্তিকে সক্রিয় করে তোলে।
৪) অনন্য অভিযোজন (Unique Adjustment) হল, প্রতিটি ব্যক্তিরই পরিবেশের সঙ্গে অভিযোজনে তার নিজস্বতা প্রকাশ পায়।
> पारित देवलिही (Characteristic of মনোবিজ্ঞানীগণ বাক্তিদের ওপর গভীর অধারেন করে এর কতগুলি বৈশিষ্ট্য কথা উল্লেখ করেছেন, যেগুলি হন
১) সক্রিয় সমন্বয় ব্যক্তিত্বের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হানা মক্তিয় সমন্বয়। মানাবিদ আনপোর্ট বাক্তিমতায়ক পরিবর্তনশীন মক্তিয় জৈব মানসিক মাতার সমন্বয় বলে আখ্যায়িত করেছেন।
১। ব্যক্তিভেদে এর পার্থক্য প্রাভাক মানুষের বাক্তিয় একে অপরের থোক আলাদা সম্পূর্ণরূণে একজন বাক্তির মঙ্গে অন্য কোনো বাক্তির মিল খুঁজে পাওয়া যায় না।
৩) আত্মসচেতক গগুদের কোন ব্যক্তিত্ব আরোপিত হয় না। মানুষের একমাত্র মন আগে এবং সেই অনা মানব ব্যক্তি হলো একটি চিন্তাশীন প্রক্রিয়া। যেহেতু শশুদের ১টি নেই, সেহেতু ব্যক্তিত্বকেই ত্যাগের নিজস্ব ধারার সম্পূর্ক সচেতন হতে হয়, এবং সেই অনুযায়ী কাজ করতে হয়।
1) मकाज अर्थ বাড়ির মত সূত্রে প্রান্ত মৈয়িক, মানবিক, প্রাদ্ধাভিত বৈশিষ্টোর সথে অর্জিত বৈশিষ্ট্যের সমন্বয়ের মল হল বাক্তিত্ব।
2) वाक्रिषत्र अमनाजा, প্রতিটি বাড়ির বাক্তিত্ব আলাদা প্রভাতের বৈশিষ্টা অবরের বৈশিষ্টা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হয়। এমনকি যমস্ত ব্যক্তিরাও সমান বাড়িত্বের অধিকারী হয় না।
৬। গতিশীল-ব্যক্তিয়ের লজ্জা হল্যে পরিবেশের সঙ্গে অভিযোজন। পরিবর্তনশীল পরিবেশের সঙ্গে সার্থক অভিযোজন ব্যক্তিত্বকে গতিশীল হতে হয়।
এ সংগঠন একটি সংগঠন মহমান্ত ও অর্জিত প্রেশাবনীর যোনডস বাড়ির নয়। বাক্তিত্ব হস ৩গুনিয় সমন্বয়। এই সময় যখন একটি গনিত ব্লগ পায় তখন ডকেই বাক্তিত্ব বলা হয়।
जय सामधिकমনোবিদ গন বাতিমের একক গুণিকে সংলঙ্গন বলে অভিহিত করেন। এই দং লক্ষণগুলি জৈব মাননিক নড়া। এরমধ্যে দেহ ও মন উভয়ই ভূমিকা বর্তমান। উভয়ের মধ্যে পারস্পরিক ক্রিয়া এবং তার সমন্বিত जगहें ना मध्ছন।
২) আচরণ নির্ধারক ব্যক্তিত্বের একটি এক্রত্বপূর্ণ বৈশিষ্টা যানা আচরণ নির্ধারক। বাড়ির আচরণ এ গতি প্রকৃতি নির্দিষ্ট করে। তাই ব্যক্তিত্বকে আচরণের নির্ধারক বमा হয়।
মন্তব্য: আধুনিক মনোবিজ্ঞানী গণ আদিম যৌন প্রবৃত্তি মানুষের জীবনের মূল শক্তির বলে স্বীকার করেন না। তদের মতে মানুষের জীবান যৌনপ্রবৃত্তির গুরুম অনস্বীকার্য কিহ্ন ওই প্রসূতি মনের আচতন হরের একমাত্র প্রকৃতি নয়। মানর অচেতন করে জৈন প্রসূতির পাশাপাশি রয়েছে নৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রেষণা। আলাপার্ট বাড়িছেন যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তা মনোবিজ্ঞানীদের যেয়ে সর্বগ্রন প্লায়া বলে প্রমাণিত হয়োগে। এবং শিশু বাক্তিত্বের ক্রমবিকাশকে বুঝাতে আমাদের যে প্রস্তুত পরিমাণে সাহায্য করেছে যে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
বৃদ্ধি ও বিকাশের অর্থ ও সংজ্ঞা
ব্যক্তিজীবনের মূল লক্ষ্য হল পরিবেশের সঙ্গে অভিযাজেন। পরিবর্তনশীল পরিবেশের সঙ্গে অভিযাজেনে যে দুটি উপাদানের বিশেষ ভূমিকা দেখা যায়, তা হল বৃদ্ধি ও বিকাশ। Ernest Jones-এর মতে, দেহের উচ্চতা ও ওজন বেড়ে যাওয়াকে বৃদ্ধি বলে। যেমন- শিশুর উচ্চতা বৃদ্ধি, ওজন বৃদ্ধি, হাতের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি ইত্যাদি।
বিকাশ হল প্রার্থীর মধ্যে ক্রমপরিবর্তন যা শুধুমাত্র শারীরিক পরিবর্তনে সীমাবদ্ধ থাকে না। ব্রিয়াগত (functional) পরিবর্তনও আবশ্যিক শর্ত, যেমন-কোনা েকিছু করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়া, নির্ভুলভাবে কর্মসম্পাদন করতে পারা ইত্যাদি। বিকাশ অবশ্যই বৃদ্ধির ফলে সম্ভব কিন্তু বৃদ্ধিই বিকাশ নয়।
বৃদ্ধির বৈশিষ্ট্যাবলি
(১) বংশধারা ও পরিবেশের নিথস্ক্রিয়া বংশধারা ও পরিবেশের মিথস্ক্রিয়ার ফলেই বৃদ্ধি ঘটে। শিক্ষকের কাজ হল, এমন পরিবেশ রচনা করা যা মিথস্ক্রিয়াকে উৎসাহিত করে এবং বৃদ্ধিকে সার্থক করে তাতেলে।
(২) বয়সানুযায়ী বৃদ্ধির যারা বিভিন্ন বয়সে বৃদ্ধির হার বিভিন্ন। Meredith অধ্যয়ন করে দেখেছেন-বয়ঃসন্ধিক্ষণের কিছু পূর্ব থেকেই বৃদ্ধির হার পুনরায় দ্রুত হয়। বয়ঃসন্ধিক্ষণের পরে ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধির হার হ্রাস পায়।
(৩) বৃদ্ধি ও ও অনুশীলন বৃদ্ধির ওপর অনুশীলনের প্রভাব সম্পর্কিত একাধিক পরীক্ষা হয়েছে এবং ধনাত্মক প্রভাবের প্রমাণ পাওয়া গেছে। (হিলগাউ-1932, ক্রলার-1963)। উপযুক্ত বৃদ্ধির জন্য শিক্ষকগণ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের অনুশীলনের ব্যবস্থা করবেন।
(৪) বৃদ্ধির যারের তারতম্য: শিশুদের মধ্যে বৃদ্ধির হারে পার্থক্য দেখা যায়। কিছু শিশু দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পায় এবং কোনাতে কোনা েশিশুর বৃদ্ধি শ্লথ গতিতে হয়। শিক্ষার্থীর জন্য বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা কর্মসূচি পরিকল্পনার ক্ষেত্রে বৃদ্ধির এই বৈশিষ্ট্যের ওপর গুরুত্ব দেবেন। সকলের জন্য একই কর্মসূচি সুপারিশ করা শিক্ষা মনাবিজ্ঞানসম্মত নয়।
(৫) নিরবচ্ছিন্ন ও ধারাবাহিক প্রক্রিয়া একটা স্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি নিরবচ্ছিন্ন এবং ধারাবাহিক। বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই বৈশিষ্ট্যটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আবার একই সঙ্গে অসুবিধাজনক। শিক্ষাক্ষেত্রে এটি
তাৎপর্যপূর্ণ এই অর্থে যে, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপরিকল্পনার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়াজেন। অসুবিধা হল এই যে, বৃদ্ধি নিরবচ্ছিন্ন ও ধারাবাহিক হওয়ার জন্য স্করভিত্তিক ভাগ করা সম্ভব হয় না।
বিকাশের বৈশিষ্ট্য
বিকাশ হল একটি প্রক্রিয়া যা ব্যক্তির ক্ষমতার সূচনা বা বৃদ্ধি করে এবং যা ব্যন্ধিকে উৎকর্ষতার সঙ্গে কার্যসম্পাদনে সাহায্য করে। বিকাশকে আরও অর্থবহ করে তুলতে এর কয়েকটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা প্রয়াজন।
(১) শিখনের ফলে বিকাশ: পরিবেশের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ার ফলে শিশু যে শিখন অভিজ্ঞতাগুলি অর্জন করে তারই সমন্বয় হল বিকাশ।
(২) বিকাশ হল সংশ্লেষণ: বিকাশ হল একটি প্রক্রিয়া। প্রতিটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র একক শিখন সামগ্রিক বিকাশকে কার্যকারী করে তাতেলে। তবে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র একক শিখনের সমন্বয় হল বিকাশ, এ ধারণা সঠিক নয়। মনাতে বিজ্ঞানী পিয়াজের মতে বিকাশের এটি প্রক্রিয়া আছে-
1. পরিমন, ২. অভিজ্ঞতা, ও মানসিক যাগোযাগে (ভাষার মাধ্যমে শিখন, 4. শিক্ষালয়ের শিক্ষা বা পিতামাতার প্রশিক্ষণ, এবং ভারসাম্যকরণ।
(৩) বিকাশ একটি নিরবচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া: মাতৃগর্ভ থেকে আমৃত্যু বিকাশ ঘটে। যদিও এর হার সবসময়
স্থির থাকে না। হ্রাসবৃদ্ধি ঘটে।
(৪) ব্যক্তির বিভিন্ন বিকশিগুলি পারস্পরিক সম্পর্ক যুক্ত ব্যঝির দৈহিক বিকাশ, মানসিক বিকাশ, সামাজিক বিকাশ, প্রাক্ষোভিক বিকাশ পৃথকভাবে ঘটে না। পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত এবং পরস্পর নির্ভরশীল।
(৫) বিকাশ একটি ব্যক্তিগত প্রক্রিয়া ব্যকিসকলের বিকাশে অসমতা পরিলক্ষিত হয়। দৈহিক, মানসিক, সামাজিক প্রভৃতি বিকাশের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পার্থক্য শুধু ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে নয়, একই বাক্তির বিভিন্ন বয়সে বিভিন্ন হারে বিকাশ ঘটে।
(৬) বিকাশ সামগ্রিক থেকে বিশেলের দিকে ঘটে প্রতিটি বিকাশই সামগ্রিক থেকে বিশেষের দিকে
ঘটে। শিশু যখন কিছু ধরার চেষ্টা করে তখন
সমস্ত হাতকেই যে ব্যবহার করে। পরে হাতের সমস্ত আঙুলগুলি ব্যবহার করে এবং অবশেষে দুটি বা
তিনটি আঙুল দিয়েই ধরতে পারে।
(৭) বিকাশে লিনগত পার্থক্য বর্তমান: ফ্রী-পুরুষের মধ্যে বিকাশের পার্থক্য আছে। বালিকারা বালকদের থেকে অনেক আগে পরিণত হয়। বালিকাদের বয়ঃসন্ধিক্ষণ বালকদের থেকে অন
বিকাশের নীতি
1. বংশপতি ও পরিবেশের মিথস্ক্রিয়ার ফলেই বিকাশ ঘটে।
বিকাশ মিথস্ক্রিয়ার ফল 2
বংশগতি ও পরিবেশের মিথস্ক্রিয়ায় ফলেই বিকাশ ঘটে। 3
4 বিকাশ ধারাবাহিকতা মেনে চলে।
5. বিকাশ ওপর দিকে (মস্তিষ্ক) শুরু হয়ে নীচের দিকে ঘটে।
বিকাশ কেন্দ্র থেকে পরিধির দিকে অগ্রসর হয়।
DURIOQINDAL 7. বিকাশের ফলে যে চলন ঘটে তার ধারাবাহিকতা বিশ্বের সব শিশুর ক্ষেত্রেই দেখা যায়। যেমন-হামাগুড়ি, দাঁড়ানো, হাঁস
বৃদ্ধি ও বিকাশের মধ্যে পার্থক্য
বৃদ্ধি ও বিকাশ পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এবং নির্ভরশীল হলেও উভয় প্রক্রিয়ার মধ্যে কিছু পার্থক্য লক্ষ করা যায়-
বৃদ্ধি
আকার ও আয়তনে বেড়ে যাওয়াকেই বৃদ্ধি বলে।
বৃদ্ধি হল কারণ
বৃদ্ধির ধারণা কেবল দৈহিক বা শরীরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
বৃদ্ধি স্বতঃস্ফূর্ত তবে অনুশীলনের প্রভাব দেখা যায়।
বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অনুশীলন বিশেষ ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট, হাতের পেশির ব্যায়াম করলে হাতের পেশির বৃদ্ধি হবে, পায়ের পেশির ওপর এর প্রভাব নেই।
বৃদ্ধি একটা নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত ঘটে।
বৃদ্ধি পরিমাপযাগ্য।
বৃদ্ধি পরিমাণগত।
বিকাশ
আকার ও আয়তনে বৃদ্ধির সঙ্গে সক্রিয়তা এবং কার্যসম্পাদনে উৎকর্ষতা বিকাশের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
বিকাশ তার ফল।
বিকাশের ধারণার দৈহিক, মানসিক, সামাজিক, প্রাস্কোভিক সবই অন্তর্ভুক।
পরিবেশের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ার ফলেই বিকাশ ঘটে অর্থাৎ ব্যক্তির সক্রিয়তা এবং অনুশীলন এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।
বিকাশ সামগ্রিক, মানসিক বিকাশের চর্চা করলে তার প্রতিফলন সামাজিক, প্রাক্ষোভিক বিকাশের ওপরেও দেখা যায়।
বিকাশ আমৃত্যু ঘটে।
বিকাশ পর্যবেক্ষনাসাপেক্ষ
বিকাশ গুণণত।
ভূমিকা:- বাস্তব জীবনে চলার পাথ আমরা এমন কিছু মানুষকে দেখতে পায় যারা যেকোন সমস্যার সমাধান খুব সহজেই করে ফেলেন আবার কিছু কিছু মানুষ আছে যারা কোন কাজ ঠিক করে করতে পারেন না এর পেছনে যে জন্মগত মানসিক ক্ষমতা কাজ করে তাহলে বুদ্ধি। বুদ্ধি আধুনিক সনোবিদ্যার একটি সুল আলোচ্য বিষয়।
বুদ্ধি
বুদ্ধি একটি মানসিক ক্ষমতা, যত সহজে একে অনুভব করা যায় তত সহজে বুদ্ধির সংজ্ঞা দেওয়া যায় না। প্রাণীর বুদ্ধির প্রকাশ তার আচরণের মাধ্যমে ঘটে। এই আচরণ গুলিকে একসঙ্গে করে বুদ্ধি সম্পর্কে বলা যায়- বুদ্ধি একটি জটিল প্রক্রিয়া, একাধিক ক্ষমতায় মিলিত প্রচেষ্টা হলো বুদ্ধি। আরও বলা যায় বুখি হলো- "বিমূর্ত চিনা করার ক্ষমতা হলো বুদ্ধি”। বুদ্ধি সম্পর্কে বিভিন্ন মনোবিদদের ভিন্ন ভিন্ন ধারণা প্রদান করেছেন যথা
১. ওয়েশলারের মতে, বুদ্ধিমত্তা হলো একজন ব্যক্তির উদ্দেশ্যমূলকভাবে কাজ করার, যুক্তিসঙ্গতভাবে চিন্তা করার এবং তার পরিবেশের সাথে কার্যকরভাবে মোকাবিলা করার সামগ্রিক বা বিশ্বব্যাপী ক্ষমতা।
২. স্টার্নের মতে, বুদ্ধিমত্তা হলো একজন ব্যক্তির সচেতনভাবে নতুন চাহিদার সাথে তার চিন্তাভাবনাকে সামঞ্জস্য করার একটি সাধারণ ক্ষমতা এবং জীবনের নতুন সমস্যা এবং অবস্থার সাথে সাধারণ মানসিক অভিযোজন ক্ষমতা।"
অর্থাৎ আমরা একথা বলতে পারি যে বুদ্ধি হল এমন একটি জন্মগত ক্ষমতা যা প্রত্যেকটি মানুষের মধ্যে কম বেশি পরিমাণে থাকে যার দ্বারা আমরা বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে থাকি।
বুদ্ধির বৈশিষ্ট্য
বৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যক্তির বা প্রাণীর সধ্যে যে আচরণ গত পার্থক্য দেখা যায় তার উপর ভিত্তি করে বুদ্ধির কিছু বৈশিষ্ট্য বা লক্ষণ প্রকাশ পায় যেমत.
1. সালসিক ক্ষমতা
বুদ্ধি একাধিক মানসিক ক্ষমতার সামন্বয়। অর্থাৎ একাধিক মানসিক উপাদান বা ক্ষমতা একত্রিত হয়ে বুদ্ধির কাজ সম্পন্ন করে।
2. অভিযোজন ক্ষতয়া
বুদ্ধি প্রাণীর অভিযোজন ঘটাতে সাহায্য করে। বাকি বা প্রাণীর সাধুন পরিস্থিতি বা পরিবেশে মানিয়ে চলতে বৃদ্ধি সাহায্য করে।
3. বিদুর্য দিবস খলতা
বুদ্ধির ফলে বাকি বিমূর্ত চিন্তা করতে পারে। সূর্ত জগতের বাইরের চিন্তা ভাবনা করতে গেলে বুদ্ধির প্রয়োজন হয়।
বুদ্ধি ব্যঞ্চিতে বাঝিতে পার্থক্য সৃষ্টি করে। এক এক ব্যাক্তির আচরণ করার কৌশল এক এক রকস, এই পার্থক্যের কারণ ব্যাঝির বুদ্ধি।
৪. সাধারণ ও বিশেষ ক্ষমতা
স্পিয়র ম্যান এর মতে এই বুদ্ধি দুই প্রকার মানসিক ক্ষমতার সমন্বয় সাধারণ মানসিক ক্ষমতা ও বিশেষ মানসিক ক্ষমতা।
এ বুদ্ধির উপাদান:
প্রস্টেনের মতে বুদ্ধি সাত প্রকার মানসিক ক্ষমতার সমন্বয়, এই সাত প্রকার মানসিক ক্ষমতার মিলিত প্রভাবেই ব্যাক্তির বুদ্ধি প্রকাশ পায়।
7. সর্বজনীন ক্ষলতা
বুদ্ধি হল একটি সর্বজনীন ক্ষমতা যা প্রত্যেক প্রাণীর মধ্যে রস বেশি পরিমাণে থাকে যার দ্বারা সে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে থাকে।
৪. ধ্রুবক। মনোবিজ্ঞানীদের মতে বুদ্ধি মোট পরিমাণ ধ্রুবক এটি করা হয় না।
৪. পরিযাগ যোগ্য
বুদ্ধি বিভিন্ন অভীক্ষার যারা পরিমাপ করা যায় অর্থাৎ কার দধ্যে কতটুকু বুদ্ধি আছে সেটিকে আমরা বিভিন্ন মনোবৈজ্ঞানিক অভীক্ষা প্রয়োগ করে পরিমাপ করতে পারি।
বুদ্ধির তত্ত্ব
বৃদ্ধি মনোবিদ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়। এই বুদ্ধি সম্পর্কে বিভিন্ন মনোবিদরা ভিন্ন ভিন্ন ধারণা যেমন পেশ করেছেন ঠিক তেমনই বৃদ্ধি সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন তথা গড়ে উঠেছে। এই প্রসঙ্গে স্পিয়ারম্যানের দ্বি উপাদান তত্ত্ব মনোবিদ থাস্টোনের বুদ্ধির দলগত উপাদান তত্ত্ব কিংবা শিলফোর্ডের ত্রিমাত্রিক তত্ত্বের কথা বলা যেতে পারে।
স্পিয়ায়াদ্যানের বি উপাদান তজ
মনোবিদ স্পিয়ারম্যানের দ্বি-উপাদান তত্ত্বের কথা 1904 সালে 'American journal of psychology প্রথদ উল্লেখ করেন এবং তার দ্বি-উপাদান তত্ত্ব টি কে General intelligence of objectively determined and measured "নামে প্রকাশ করেন
সুদ্ধির কি উপাদান তত্ত্বের ফুল নকন্য
স্পিয়ারম্যানের দ্বি-উপাদান তত্ত্বের সুল বন্ধন্য হলো আমরা যেকোনো ধরণের বুদ্ধি কাজ সম্পন্ন করি না কেন তার পেছনে বুদ্ধির দুটি উপাদান কাজ করে, একটি হল উপাদান অপরটি হল ''উপাদান। '৫' উপাদান সব কাজের জন্য ব্যবহৃত হলেও 'চ-উপাদান বিশেষ বিশেষ কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। ৫ উপাদান জন্মগতভাবে জিনগত সংগঠনের মাধ্যমে পূর্ব পুরুষদের কাছ থেকে পায় এবং ৪ উপাদান পরিবেশের সঙ্গে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আমরা অর্জন করি। G উপাদানের সংখ্যা একটি এবং ৪ উপাদানের সংখ্যা অনেকগুলি।
জ্যামিতিক ব্যাণ্ডা
g
5
পিয়ার ম্যানের যি উপাদান তত্ত্বটি কে জ্যামিতিক ব্যাখ্যার সাহায্যে খুব সহজেই এবং খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরা যেতে পারে। পাশে চিত্রটিতেচারটি কাজ কী বোঝানো হয়েছে যেখানে প্রত্যেকটি কাজে জি উপাদান ব্যবহৃত হয়েছে কিন্তু প্রত্যেকটি কাজে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের উপাদানের ব্যবহার হয়েছে।
গাণিতিক ব্যাখ্যা
মনোবিদ স্পিয়ারম্যান তার দ্বি-উপাদান তত্ত্বটি কে গাণিতিক ব্যাখ্যার সাহায্যে তুলে ধরেছেন যাকে বলা হয় টেট্রাড সমীকরণ। এই টেট্রাড সমীকরণাটি হলো টি হল
র্যাব রেড। র্যাব rbd0
স্পিয়ারল্যানের কি উপাদান তত্ত্বের শিক্ষাগত গুরুত্ব
স্পিয়ারম্যানের দ্বি-উপাদান তত্ত্বের শিক্ষামুলক তাৎপর্য এককথায় অনস্বীকার্য
(১) শুরুত্ব: শিক্ষক-শিক্ষিকার কাছে এর গুরুত্ব অপরিসীম।
(২) নির্দেশনা দান:
ছাত্রছাত্রীকে যদি সঠিকভাবে শিক্ষামূলক ও বৃত্তিমূলক নির্দেশনা দান করতে হয়, তাহলে শিক্ষক-শিক্ষিকাকে অবশাই এই তত্ত্বের সাঙ্গ পরিচিত হতে হবে।
(৩) বিষয় নির্বাচল:
ছাত্রছাত্রীদের বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে এই তত্ত্বটি বিশেষভাবে সহায়ক হয়।
(৪) বিজ্ঞানসসক্ষতা
যে-কোনাঃ বিষয়ে সাফল্যলাভ করতে হলে ওই বিষয়ের উপর বিশেষ দক্ষতার প্রয়াজন হয়। যেমন-বিজ্ঞান শাখায় সফলতা লাভ করতে হলে, ছাত্রছাত্রীদের অবশ্যই বিজ্ঞানমনস্ক হতে হবে।
(৫) পাঠক্রম নির্বাচনে নির্দেশদান।
এই ক্ষমতা সম্পর্কে শিক্ষক শিক্ষিকা অবহিত হওয়ার পর যদি ছাত্রছাত্রীদেরকে পাঠক্রম নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্দেশ দেন তাহলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ছাত্রছাত্রী সফলতা অর্জন করবে।
(৬) শিক্ষার্থীর আচরণ:
শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বৌদ্ধিক আচরণ এর সাহায্যে ব্যাখ্যা করা সম্ভব।
(৭) বুদ্ধি সংক্রান্ত আলাচেনা:
এই তত্ত্ব বুদ্ধি সংক্রান্ত বিভিন্ন ব্যাখ্যা প্রদান করতে সক্ষম।
(৮) মৌলিক ধারণা:
স্পিয়ারম্যান তত্ত্ব শিক্ষার্থীদের বুদ্ধি সংক্রান্ত সৌলিক ধারণা দিতে সক্ষম।
স্পিয়ারস্যাদের দ্বি-উপাদান তত্ত্বের সমালোচনা
স্পিয়ারম্যানের এই মতবাদের প্রচুর সমালাং চনা হয়। আমেরিকার খনডাইক সর্বপ্রথম এই মতবাদের সমালাতেচনা করেন। তার মতে, মানসিক শক্তি হল অনেকগুলি বিশেষ বিশেষ স্বাধীন ক্ষমতার সমবায়, কিন্তু পরবর্তীকালে ভার এই মত বর্জন করেন এবং বৌদ্ধিক কার্যের মধ্যে একটি একক উপাদাদের সন্ধান করেন।
মনাহতবিদ গডফ্রে বম্পসন-এর মতে, স্পিয়ারস্যানের মতবাদের সাহায্য ছাড়াও আমাদের বৌদ্ধিক কাজকে অন্যভাবে প্রকাশ করা যেতে পারে, বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটিমাত্র সাধারণ উপাদানের (G-factor) কথা না বলে বরং দলগত উপাদানের (Group fcactor) দ্বারাও সহপতির এই প্রকৃতিতে বিশ্লেষণ করা যায়।
থাস্টোন ও উপাদানের অস্তিত্বকে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, সংগতির পরিমাণ খুবই সামান্য যার উপর ভিত্তি করে ৫-এর অস্তিত্ব প্রমাণ করা যায় না।
টমসন বলেছেন, কতকগুলি উপাদান যা ক্ষমতা একসঙ্গে থাকে দলবদ্ধ হয়ে, তাই সকল বুদ্ধিমুলক কাজের মধ্যে একটিই সাধারণ উপাদান থাকে এটা বলা যায় না।
স্পিয়ারম্যানের দ্বি-উপাদান তত্ত্বের সংশাতেখিত রূপ
খনভাইক ও বম্পসনের সমালাচেনার প্রেক্ষিতে স্পিয়ারম্যান তার দ্বি-উপাদান তত্ত্বের সংশাধেন করেন। ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে তিনি দলগত ক্ষমতার (Group factor, সংক্ষেপে ৫) কথা বলেন। এই দলগত ক্ষমতা একদিকে যেমন সাধারণ ক্ষমতার মতাতে সর্বজনীন নয়, তেমনই বিশেষ ক্ষমতার সতাতে নির্দিষ্ট কাজেই প্রযাজেন, এমন নয়। এর মাঝামাঝি অর্থাৎ একাধিক বৌদ্ধিক কাজে এর প্রযাজেন, তবে সব কাজে নয়। এরূপ মানসিক উপাদান হল বাচনিক ক্ষমতা, সংখ্যাবাচক ক্ষমতা ইত্যাদি। তার মতে, একের বেশি বৌদ্ধিক কাজে ব্যবহৃত হয়, তাই দক্ষতা হল দলগত উপাদান বা Group factori তবে সাধারণ উপাদানের মরাতে নয়।
সরুন্য: উপরের আলাচেনা থেকে এই সিদ্ধান্ত করা যায় যে, দ্বি-উপাদান তত্ত্বটি গণিতশাস্ত্রের উপর ভিত্তি করেই প্রতিষ্ঠিত। কোনাং কোনা েক্ষেত্রে এর সমালাচেনা করা হলেও এটি মানসিক ক্ষমতার উপর গবেষণার দিগন্ত খুলে দিয়েছে। বুদ্ধি ও প্রকাতা অভীক্ষা প্রস্তুতিতে এর অবদান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
: শিক্ষা মনোবিদ্যার ধারণা:
TION
মনোবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার মধ্যে একটি অন্যতম হলো শিক্ষা মনোবিদ্যা এডুকেশনাল সাইকোলজি শিক্ষার্থীর শিখন পরিবেশ সম্পর্কে আলোচনা করে সুতরাং বলা যায় মনোবিজ্ঞানের বিভিন্ন তথ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে প্রয়োগমূলক শিক্ষা মনোবিদ্যা যেখানে মনোবিজ্ঞানের বিভিন্ন নীতি তথ্যসূত্র শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয় বিভিন্ন শিক্ষা মনোবিজ্ঞান সম্পর্কে নানান মত পোষণ করেছেন।
দ
মনোবিদ ক্লোর মতে শিক্ষা মনোবিজ্ঞান হলো ব্যক্তির জন্ম থেকে পরিণত বয়স পর্যন্ত শিক্ষামূলক অভিজ্ঞতার বর্ণনা ও ব্যাখ্যা করা।
মনোবিদ পিল বলেছেন এডুকেশনাল সাইকোলজি ইজ দ্যা সাইন্স অফ
এডুকেশন।
EPAR
সুতরাং সার্বিক ভাবে বলা যায় শিক্ষা মনোবিজ্ঞান হলো ব্যক্তির শিক্ষাকালীন আচরণ অনুশীলন করা এবং শিখন ও শিক্ষণ পদ্ধতির উন্নতি ঘটানো যদিও আধুনিককালে শিক্ষা মনোবিদ্যার ধারণাটি আরও বিস্তৃত রূপলাভ করেছে।
শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের প্রকৃতি:
আইওন
1) শিক্ষা মনোবিজ্ঞান একটি পৃথক শাখা পূর্বে মনোবিজ্ঞানের একটি প্রয়োগমূলক শাখা হিসেবে বিবেচিত হতো বর্তমানে শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের একটি পৃথক শাখা হিসেবে স্বীকৃত কোনো জ্ঞান ভান্ডারকে বৃদ্ধ হিসেবে স্বীকৃত করতে হলে কতগুলি শর্ত পালন করতে হয় যেমন জ্ঞানের বিষয়টিকে যথেষ্ট প্রসারিত হতে হবে নিজস্ব অনুশীলন পদ্ধতি থাকবে যার ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা গবেষনা করে সমাধানের উপায় নির্দিষ্ট করা যাবে।
2) শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের নিজস্ব পদ্ধতি শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের বিষয়ে অনুশীলনের জন্য নৈব্যক্তিক এবং ব্যক্তিগতভাবে ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় একটি পদ্ধতির মধ্যে
অন্যতম হলো পরীক্ষণ পদ্ধতি জেনেটিক পদ্ধতির পরিসংখ্যান পদ্ধতি ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি।
3) শিক্ষা মনোবিজ্ঞান একটি আদর্শনিষ্ঠ ব্যক্তি ও সমাজের মঙ্গল হয় এমন সব বিষয় নিয়ে শিক্ষা মনোবিজ্ঞান আলোচনা করে ব্যক্তি ও সমাজের ক্ষতি হোক এমন কোন বিষয় নিয়ে শিক্ষা মনোবিজ্ঞান আলোচনা করে না সুতরাং এটি একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান।
4) শিক্ষা মনোবিজ্ঞান একটি গতিশীল বিষয়: শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয় যেমন শিখন-শিক্ষণ প্রেষণামূলক স্মৃতি ইত্যাদির উপর ব্যাপক গবেষণার ফলে নতুন তথ্য সূত্র ইত্যাদি আবিষ্কৃত হয় তার প্রয়োগ শিক্ষাবিজ্ঞানের উন্নততর কার্যকর করে।
5)
গুরুত্ব দেয় ব্যক্তিগত পার্থক্য একটি DUCA
ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য শিক্ষা মনোবিজ্ঞান ব্যক্তি পার্থক্যকে গুর প্রাকৃতিক ঘটনা তাই ব্যাক্তি পার্থক্যকে ভিত্তি করে শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের বিষয়সমূহকে OF পর্যালোচনা করে।
TMENT
শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের পরিধি:
শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের পরিধি নিয়ে আলোচিত হলো।
1) শিক্ষার্থী শিক্ষার্থী এখানে শিক্ষার্থীর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের আলোচনা করা হয় যেমন শিক্ষার্থীর বিকাশগত বৈশিষ্ট্য ব্যক্তিগত বৈষম্য বুদ্ধি আগ্রহ মানসিক স্বাস্থ্য।
2) শিখন প্রক্রিয়া এখানে শিখনের বিভিন্ন তথ্য শিখনের বিভিন্ন প্রভাব বিস্তারকারী উপাদান শিখনে প্রেষণার শিখন সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও তার সমস্যা সমাধানের।
3) শিখন পরিবেশ এখানে শিখন পরিবেশের বিভিন্ন দিক গুলি আলোচিত হয় যেমন শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মিথস্ক্রিয়া শিক্ষক শিক্ষার্থী সম্পর্ক যোগাযোগের প্রক্রিয়া শ্রেণিকক্ষের গতি প্রকৃতি ইত্যাদি।
4) শিখনের মূল্যায়ন এখানে শিক্ষার্থীর শিখন এর মূল্যায়ন শিখন সমস্যা চিহ্নিতকরণ সংশোধনমূলক ব্যবস্থার প্রকৃতি পরিসংখ্যান ও রাশি বিজ্ঞানের ব্যবহার ইত্যাদি আলোচনা করা হয়।
মেন্ট অফ ই
5) ব্যাক্তি স্বত্তার বিকাশ ব্যক্তিসত্তা কাকে বলে ব্যাক্তি স্বত্তার বিকাশের বিভিন্ন দিক গুলি পর্যালোচনা করে তার সাথে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার বিষয়বস্তু নির্বাচিত করা শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের কাজ।
6) শিখন সঞ্চালন সঞ্চালন কিভাবে ঘটে আদেও শিখন সঞ্চালন ঘটে কিনা ঘটলে তার ব্যাখ্যা কি হবে ইত্যাদি আলোচনা ও শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের অন্তর্গত।
7) বিকাশের ধারা বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে শিক্ষার্থীর দৈহিক সামাজিক মানসিক
প্রাক্ষোভিক বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ঘটে তার অনুশীলন অর্থকে বিকাশের ধারা আলোচনা করা হয় এবং শিক্ষার ওপর তার প্রভাব ইত্যাদি শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের পরিধি অন্তর্গত।
8) পরিসংখ্যান ও রাশিবিজ্ঞান বর্তমান বিজ্ঞানের বিশেষ করে সমাজবিজ্ঞানের সর্বক্ষেত্রে পরিসংখ্যানের ব্যবহার হচ্ছে শিক্ষা বিজ্ঞানের সমাজ বিজ্ঞানের অন্তর্গত রাশি বিজ্ঞানের প্রয়োজনীয় শিক্ষার্থীর অগ্রগতিতে সঠিক মূল্যায়ন সম্ভব নয় তাই পরিসংখ্যানের বিশেষ জ্ঞান অর্জন করা একান্ত আবশ্যক।
সুতরাং বলা যায় শিক্ষা মনোবিদ্যার পরিধি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে শিক্ষা মনোবিদ্যা ব্যক্তির আচরণগত বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের পথ নির্দেশ করে থাকে তাই বৃহত্তর দিক থেকে পর্যালোচনা করে বলা যায় যে এই শাস্ত্রের পরিধি মানুষের জীবনব্যাপী শিক্ষা প্রক্রিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। সমব্যথী এক কথায় বলা যেতে পারে যা কিছু মানবজীবনকে পড়ে তাই হলো শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু।
মনোবিজ্ঞান ও শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের মধ্যে পার্থক্য:
1) মনোবিজ্ঞান হলো বিজ্ঞানের একটি তাত্ত্বিক ও ফলিত শাখা এটি একটি মানসিক প্রক্রিয়া ও আচরণ
সম্পর্কিত বিদ্যা।
শিক্ষা মনোবিজ্ঞান হলো মানুষের শিক্ষার উপর বিশেষ গবেষণা করে একটা অনুসন্ধান করা।
2) মনোবিজ্ঞানের পরিধি ব্যাপক।
শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের পরিধি সংকীর্ণ কারণ এটি মনোবিজ্ঞানের একটি শাখা মাত্র।
জুকেশন
3) মনোবিজ্ঞান মূলত মানুষের মানসিক প্রক্রিয়া।
শিক্ষা পদ্ধতির অধ্যয়ন মূলক প্রক্রিয়া। শিক্ষা মনোবিজ্ঞান মানুষের।
4) সাধারণভাবে মনোবিজ্ঞান সারা জীবন জুড়ে সমস্ত মানবিক কর্মকান্ড অনুসন্ধান করে যা শিখন প্রক্রিয়ার বাইরে যায়।
শিক্ষা মনোবিজ্ঞান কেবলমাত্র মানুষের জীবনের শিখন দৃষ্টিভঙ্গি সন্ধান।
5) মনোবিজ্ঞান মানুষের আচরণকে বিশ্লেষণ করে কিন্তু ভালো মন্দ বিচার করে না।
শিক্ষা মনোবিজ্ঞান মানুষের আচরণ বিশ্লেষণ করে সাথে ভালো মন্দ বিচার করে।
প্রস্থান
6) চিকিৎসাশাস্ত্র সামরিক ক্ষেত্রে বাণিজ্য ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়।
বৃদ্ধি ও বিকাশ:
বৃদ্ধিঃএকটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে মানব শিশুর দেহের আকার ও
আয়তন ও জনসংখ্যায় পরিবর্তন হলো বৃদ্ধি।
বিকাশ: বিকাশ হলো ব্যক্তির সহজাদ দৈহিক মানসিক ক্ষমতা ও বিস্তার
ব্যক্তিকে জটিল থেকে জটিলতর কর্ম সম্পাদন করতে সহায়তা করে বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্জিত হয় কাজেই জন্মের পর থেকে শিশুর জীবনব্যাপী সামগ্রিক গুণগত পরিবর্তনের ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার বিকাশ বৃদ্ধি ও বিকাশের মধ্যে
পার্থক্য যাই হোক না কেন এরা পরস্পর স্পর সম্পর্কযুক্ত ও নির্ভরশীল।
INT O বিকাশের বিভিন্ন ক স্তর সমূহ:
শৈশবকাল: জন্মের পর থেকে পাঁচ বা ছয় বছর বয়স পর্যন্ত এই স্তর এর অন্তর্ভুক্ত শিক্ষার স্তর অনুযায়ী স্তর কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়
প্রাথমিক শৈশব স্তর এবং প্রান্তীয় শৈশব কাল।
1) প্রাথমিক শৈশব স্তর
এই স্তরে দৈহিক বিকাশের হার খুব বেশি।
এই সময় মাথা তুলনায় দেহ কাণ্ডের বিকাশ বেশি পরিমাণে।
এই স্তরে শিশুরা আত্মসচেতনতার বিকাশ।
ধীরে ধীরে দৈহিক ও মানসিক বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে ভাষার বিকাশ।
মৃত বস্তুর প্রতি ক্ষণস্থায়ী মনোযোগ দিতে পারে।
শিশুর মধ্যে ধীরে ধীরে আনন্দ রাগ হয় ভালোবাসা ইত্যাদি
প্রক্ষোভের বিকাশ হয়।
ELICATION
অফ
2) প্রান্তীয় শৈশব স্তর
এই স্তরে পেশির বিকাশ খুব দ্রুত হয়।
বল ছোড়া কোন জিনিস ছড়া দৌড়ানো লাফানো সিঁড়ি বেয়ে ওঠা
ইত্যাদি কাজগুলো করতে পারে।
শিশুর শব্দভাণ্ডার হয় 200 টি।
আত্মনির্ভরতা বৃদ্ধি পায়।
দৈহিক বিকাশ বৌদ্ধিক বিকাশ ঘটে।
কল্পনা শক্তির বিকাশ শুরু হয়।
বাল্যকাল:
1) প্রাথমিক বাল্যকাল
যায়।
এই স্তরে দৈহিক বিকাশের হার শৈশবের তুলনায়
অনেক কমে ICATION
শব্দভাণ্ডার বৃদ্ধি পায় মনোযোগী উচ্চতা বৃদ্ধি পায়।
মস্তিষ্ক প্রায় স্বাভাবিক অবস্থায় চলে আসে।
কল্পনাবিলাস এই স্তরের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
এই স্তরে নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত হয়।
2) প্রান্তীয় বাল্যকাল
দৈহিক বিকাশের হার আগের মত কম থাকে।
মস্তিষ্কের বিকাশ পরিপূর্ণ হয়।
মানসিক বিকাশ ঘটে।
ভাই বোনদের প্রতি ঈর্ষার মনোভাব দেখা যায়।
সামাজিক আচরণ বয়স্কদের মতো হয়।
মনোযোগের পরিসর এর বিস্তৃতি হয়।
কৈশোর কাল:
1) প্রাথমিক কৈশোর স্তর
দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায়।
যৌন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বৃদ্ধি ঘটে।
ছেলেদের গলার স্বরে পরিবর্তন হয়।
যৌন গ্রন্থির বিকাশ ঘটে।
মনোযোগের চঞ্চলতা কমে আসে।
বিমূর্ত ধারণা গঠন করতে পার।
অফ
শিক্ষা
2) প্রান্তীয় কৈশোর স্তর
টি
সন্তান উৎপাদনের ক্ষমতার বিকাশ হয়।
নৈতিক সেন্টিমেন্ট গড়ে ওঠে।
ছেলেমেয়েরা পরিপূর্ণ পুরুষ এবং নারীতে পরিনত হয়।
বৌদি কাজ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
শৈশব কালের বিকাশ জনিত বৈশিষ্ট্য:
দৈহিক বিকাশ
জন্ম মুহূর্তে শিশুর ওজন 3 কেজি হয় এবং পরবর্তীকালে এক বেড়ে 9 কেজি এবং দু'বছরের মধ্যে 12 কেজি তে পৌঁছায়। বছরের মধ্যে
শিশুর মধ্যে উচ্চতার বংশগতির ওপর নির্ভর করে তবে জন্মের সময় যুক্ত থাকে তা প্রথম বছরের ফিফটি শতাংশ এবং 75 শতাংশ হয়।
শিশুদের স্তরে কেবল মাথা নাড়াতে শুরু এবং সাকিং করতে পারে দুই বছরের কাছাকাছি বয়সে এসে বসতে দাঁড়াতে এবং হাঁটতে শেখে।
গ
মানসিক বিকাশ
আইএনটি
জন্মমুহূর্ত জন্মমুহূর্ত থেকে শিশুর কিছু ইন্ডিয়া সক্রিয় থাকে সে কিছু কার্যাবলী নিজেই সম্পন্ন করতে পারে যেমন আঁকড়ে ধরা।
শৈশবে শিশুদের মধ্যে একটি আচরণ বারবার করতে দেখা যায় আঙুল চোষা ঝুনঝুনি বাজানো।
শৈশব কোন কিছুর যে স্থায়ী অস্তিত্ব আছে সেটা শিশু বুঝতে পারে না সেভাবে যেটা তার সামনে নেই আর কোন অস্তিত্ব নেই।
সামাজিক বিকাশ
শৈশবে শিশুর মধ্যে এক ধরনের বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দ্বন্দু তৈরি হয় শিশু উপযুক্ত যত্ন ও ভালোবাসা পেলে তার মধ্যে বিশ্বাস ও নিরাপত্তাবোধ তৈরি হয় যা তাকে সমাজের সাথে সামঞ্জস্য বিধানের সাহায্য করে নতুবা শিশুর মধ্যে নিরাপত্তাহীনতায় তৈরি হয় ফলে তার মধ্যে সামাজিক অসঙ্গতি দেখা দেয়।
এক বা দুই বছরের মধ্যেই শিশুর মধ্যে স্বাধীনতা ও লজ্জা দ্বন্দ্ব তৈরি হয় সে নিজের মতো করে পরিবেশ-পরিস্থিতির মানিয়ে নিতে পারলে শিশু স্বাধীনচেতা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারে।
বাল্যকালের বিকাশ জনিত বৈশিষ্ট্য:
দৈহিক বৈশিষ্ট্য
23 বছর বয়সে একটি স্বাভাবিক শিশুর ওজন 33 পাউন্ড হয় এবং পাঁচ বছরে তা বেড়ে 43 পাউন্ড হয়।
35 বছরের মধ্যে শিশুর উচ্চতা 38 থেকে 43 ইঞ্চি বেড়ে যায়।
এই স্তরে এসে শিশু দ্রুত হাঁটতে এবং দৌড়াতে পারে।
শিশু ফুটবল-ক্রিকেট সমস্ত খেলা করতে পারে।
মানসিক বৈশিষ্ট্য
এস্টরে শিশু সংকেত এর ব্যবহার।
শিশুরা এই স্তরে বড়দের আচরণ অনুকরণ করতে শেখে।
এই বয়সের শিশুদের মধ্যে আমি মনোভাব অধিক পরিমাণে কাজ করে।
আদি বাল্যকালের শিশুর জীবন অবস্থার মধ্যে পার্থক্য করতে পারে না।
সামাজিক বৈশিষ্ট্য
EDUC
শিশুর মধ্যে উৎসাহ ও অপরাধবোধের দ্বন্দ্ব দেখা যায় শিশুরা তারা কাজে সাফল্য পেলে উৎসাহ বেড়ে যায় এবং কাজ শেষ করতে বা শুরু করতে না পারলে
তারা অপরাধবোধে ভুগতে শুরু করে।
শিশুর মধ্যে উদ্যমহীনতা দ্বন্দ্ব তৈরি হয় তারা প্রথাগত শিক্ষা আয়ত্ত এসে নিজেরা কাজ করতে উদ্যোগী হয় ফলে এদের কর্ম ক্ষমতা সৃষ্টি হয়।
প্রাক্ষোভিক বিকাশ
এই বয়সে শিশুর মধ্যে পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তিদের মত প্রায় সব ধরনের প্রক্ষোভের সৃষ্টি হয় কিন্তু সেগুলি নিয়ন্ত্রণ করার সক্ষমতা তৈরি হয় না।
শিশু অন্যদের প্রাক্ষোভিক বুঝতে সমর্থ হয় এবং প্রাক্ষোভিক নিয়ন্ত্রণ করতে
কৈশোর কালের বিকাশগত বৈশিষ্ট্য:
DUCATION
দৈহিক বৈশিষ্ট্য
উচ্চতা ও ওজন দ্রুত হারে হয়।
শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি পায় কোন কাজে ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা বাড়ে।
যৌন গ্রন্থির পূর্ণ বিকাশ ঘটে এবং যৌনাঙ্গ গুলি পরিপূর্ণতা লাভ।
মানসিক বৈশিষ্ট্য
এই স্তরে এসে ব্যাক্তি বিমুর্ত চিন্তা করতে।
এস্টরে ব্যক্তি নিজের সমস্যা নিজেই সমাধান করতে পারে।
ব্যক্তি নিজের চিন্তা বা যুক্তি করণ কে মূল্যায়ন করতে পারে।
সামাজিক বৈশিষ্ট্য
এই বয়সে ব্যক্তির মধ্যে বন্ধুত্ব তৈরি করার প্রবণতা।
15/21
এ স্তরেজ ব্যক্তিক সামাজিক স্বীকৃতি প্রত্যাশা করে।
প্রাক্ষোভিক বৈশিষ্ট্য
ফেলুকেশন
দুঃখিত। কৈশোরে প্রথম অবস্থায় ব্যাক্তি প্রক্ষোভ সংবেদনশীল হয় এবং সে সহজেই
ব্যক্তি কোনো বিমূর্ত ধারণা কে কেন্দ্র করে প্রক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ করে।
কৈশোরের শেষ স্তরে ব্যক্তির প্রাক্ষোভিক নিয়ন্ত্রণ আসে।
শিখনঃ
ধারণা:
প্রত্যেক প্রাণী তার নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখতে পরিবর্তনশীল পরিবেশে ক্রমাগত খাপ খাইয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে এবং এর ফলে প্রাণের পূর্ব আচরণের পরিবর্তন ঘটে
এই পরিবর্তনকে শিখন বলে অর্থাৎ অতীত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আমরা যখন শিক্ষা গ্রহণ করি তখন প্রভাবের ফলে আমাদের আচরণ নীতির পরিবর্তন হয় এবং এই আচরণ পরিবর্তনের প্রক্রিয়া কে বলা হয় শিখন।
শিখন এর সংজ্ঞা প্রসঙ্গে বিভিন্ন মনোবিদদের শিক্ষাবিদদের মতামত দিয়েছেন-
উত্তওয়ার্ড এর মতে শিখন বলতে সেই ধরনের সক্রিয়তা কে বোঝায় যা ব্যক্তির আচরণের পরিবর্তন আনে এবং ব্যক্তির পূর্ববর্তী আচরণ ও অভিজ্ঞতার পরিবর্তন ঘটায়।
মনোবিদ ড্রাইভারের মতে ফলাফলের শিখন বলে। এ ভিত্তিতে আচরণের পরিবর্তনকে EDUC
পার্টমেন্ট অফ
বৈশিষ্ট্য
1) শিখন ব্যক্তিনির্ভর প্রক্রিয়া: শিশু যখন নতুন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয় তখন সে অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণের উপর ভিত্তি করে আত্মপ্রতিষ্ঠা তে অচরণের পরিবর্তন আনে আত্মনির্ভরশীলতা ও আত্মসত্ত্বা ছাড়া শিশুর শিখন কখনো সার্থক হতে পারে না।
2) অতীত অভিজ্ঞতা ভিত্তিক শিখন এর মূল ভিত্তি হলো অতীত অভিজ্ঞতা বর্তমানে যেকোনো কাজের দক্ষতা প্রকাশ করতে অতীত অভিজ্ঞতা বিশেষ প্রয়োজন।
3) শিক্ষন ও সংগতি বিধান পরিবর্তনশীল সমাজ তথা পরিবেশের সঙ্গে অভিযোজনের করাই হলো জীবনের সার্থকতা এইজন্য ব্যক্তিকে বিভিন্ন ধরনের শিখন এর মাধ্যমে পরিবেশের তাগিদ অনুযায়ী উপযুক্ত আচরণ আয়ত্ত করার কৌশল
অবলম্বন করতে হয়।
4) সার্বজনীনতা : শুধুমাত্র শিখন উন্নত প্রাণী হিসেবে মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ না উন্নত প্রাণী থেকে শুরু করে ইতর প্রাণী প্রত্যেকেই কিছু না কিছু শিখুন হয় তাই বলা যায় প্রত্যেক প্রাণী নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য সার্বজনীনভাবে শিখন সম্পন্ন
করে।
5) অনুশীলন ধর্মী: শিখন প্রক্রিয়া কে কার্যকরী করার জন্য প্রতিনিয়ত ও অনুশীলনের প্রয়োজন হয় প্রতিনিয়ত অনুশীলনও চর্চার মাধ্যমে বহু পরিবেশ থেকে আয়ত করে অর্থাৎ পুরাতন আচরণকে বর্জন করে।
6) সঞ্চালনমূলকঃশিখন এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীর যে অভিজ্ঞতা অর্জন করে সেগুলি শিক্ষার্থী যদি উপযুক্ত পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োগ করতে সক্ষম হয় তাহলে শিখন
সঞ্চালন সম্ভব হয়।
7) পরিনমন নির্ভর: উপযুক্ত পরি নমন না ঘটলেই শিখন কখনোই সম্ভব নয় তাই শিশুর শিখন এর জন্য উপযুক্ত পরিণতি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় যেমন শিশুর পেশী উপযুক্তভাবে পরিপুষ্ট হবার আগে 27 এ খাতে গেলে তা কখনোই কার্যকরী হওয়া সম্ভব নয়।
উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় শিখন হল উদ্দেশ্যমূলক সচেতন ব্যক্তি নির্ভর প্রক্রিয়া নতুন অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আচরণের পরিবর্তন করে পরিবর্তনশীল পরিবেশের সঙ্গে সার্থকভাবে সংগতি বিধান ও জীবনযাপন সম্ভব করে তোলে।
শিখনে প্রভাব বিস্তারকারী উপাদানঃ
1) শিক্ষার্থীর দৈহিক ও মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষার্থীর দৈহিক ও মানসিক স্বাস্থ্য শিখনের ক্ষেত্রে বিশেষ প্রভাব সৃষ্টি করে যে শিশু তার শিখনের সময় দৈহিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর নজরদারি বাধাপ্রাপ্ত হয় যেমন দুশ্চিন্তা ও মানসিক বিশৃংখলা যুক্তিসম্পন্ন শিক্ষার্থীর শিখন এর ফল কখনোই আশানুরূপ হয় না।
2) শিক্ষার্থীর প্রেষণা: প্রেষণা এমন কিছু যা শিক্ষার্থীর মধ্যে কোন আচরণ করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে এবং তাকে তার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কাজের ক্ষেত্রে যখন হয় তখন সেই কাজের লোকের ধন করে তাই বলা যায় শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
3) বৃদ্ধি প্রতিটি মানুষ জন্মসূত্রে একজন অন্য জনের থেকে ভিন্ন বুদ্ধি হল আমাদের জন্মগত মানসিক ক্ষমতা যার শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোন বিষয় জানতে ও বুঝতে সহায়তা।
CATION
4) উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও পারদর্শিতা :শিক্ষার্থীর উচ্চাকাঙ্ক্ষা স্তর তার পারদর্শিতার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে কোন উচ্চাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তি শিখনের ক্ষেত্রে ভালো পারদর্শিতা অর্জন করবে এটাই স্বাভাবিক।
ARZATOR E 5) আগ্রহ ও মনোযোগ :শিক্ষার্থীর কোন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করার প্রাথমিক ধাপ হলো সেই বিষয়ে প্রতি আগ্রহ ও মনোযোগী হওয়া আগ্রহের পরের স্তর হলো মনোযোগ শিক্ষার্থীর শিখন এর লাভের ক্ষেত্রে এই দুটি উপাদান বিশেষভাবে প্রভাবিত করো
6) প্রস্তুতি ও ইচ্ছাশক্তি: শিক্ষার্থীর প্রস্তুতি ও শেখার ইচ্ছা তার শিখনের উপর বিশেষ প্রভাব বিস্তার করে শিক্ষার্থীর প্রস্তুতির ইচ্ছা ব্যতিত শিখন কখনোই সম্ভব নয় ইচ্ছা থাকলেই শিক্ষার্থীদের শিক্ষার শথ খুঁজে নেবে।
7) कमতা বা সাম্য: মানুষের যাবতীয় কর্মসম্পাদনের পিছনে যে বিশেষ উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তাহলে ক্ষমতা

0 মন্তব্যসমূহ
Thank you