Q NO :-1
আলিপুর ষড়যন্ত্র মামলার বিষয়ে আরও কিছু তথ্য:
❏এই মামলাটি ব্রিটিশ সরকারের বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলা।
❏এই মামলাটি মে ১৯০৮ থেকে মে ১৯০৯ পর্যন্ত চলেছিল।
❏এই মামলায় অরবিন্দ ঘোষ প্রেসিডেন্সি জেলে এক বছর কাটিয়েছেন।
❏এই মামলায় অরবিন্দ ঘোষের আইনজীবী হিসেবে চিত্তরঞ্জন দাস হাজির হন।
❏এই মামলায় বিচারক ছিলেন চার্লস পোটেন বিচক্রফট।
❏এই মামলায় অরবিন্দকে ষড়যন্ত্রের সাথে যুক্ত করার সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাব ছিল।
❏এই মামলার রায় ভারত সরকারের জন্য হতাশাজনক ছিল।
অরবিন্দ ঘোষ ছিলেন একজন ভারতীয় দার্শনিক, যোগী, কবি ও জাতীয়তাবাদী। তিনি ভারতকে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন।
Q NO :-2
পাক প্রণালীর বৈশিষ্ট্য:
❏পাক প্রণালী, বঙ্গোপসাগরের প্রবেশপথ।
❏এটি উত্তর-পূর্বে বঙ্গোপসাগরকে দক্ষিণ-পশ্চিমে মান্নার উপসাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।
❏পাক প্রণালীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশকে পাক উপসাগরও বলা হয়।
❏পাক প্রণালী দ্বারা ভারত ও শ্রীলঙ্কা বিচ্ছিন্ন।
❏পাক প্রণালী দ্বারা উত্তরে বঙ্গোপসাগরের পল্ক উপসাগরকে দক্ষিণে লাক্কাডিভ সাগরের মান্নার উপসাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।
❏পাক প্রণালী দ্বারা দক্ষিণে পাম্বান দ্বীপ (ভারত), আদমের (রামের) সেতু, মান্নার উপসাগর এবং মান্নার দ্বীপ (শ্রীলঙ্কা) বেষ্টিত।
❏রেডক্লিপ লাইন /লাইন অফ কন্ট্রোল ( LOC) :- ভারত ও পাকিস্তান |
❏২৮তম প্যারালাল ও ২৪ তম প্যারালাল:- ভারত ও পাকিস্তান।
❏৩৭ তম প্যারালাল:- ভারত ও মায়ানমার।
❏ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্ত রেখার নাম রেডক্লিপ লাইন । এটি একটি আন্তর্জাতিক সীমানা।
রেডক্লিপ লাইনের বিশেষত্ব:-
❏এই সীমানাটি স্যার সিরিল রেডক্লিফের নামে নামকরণ করা হয়েছে।
❏এই সীমানাটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যেও বিভক্তি করেছে।
❏এই সীমানাটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকেও বিভক্ত করেছে।
❏এই সীমানাটি ভারত ও পাকিস্তানের স্বাধীনতার দুই দিন পর, 1947 সালের 17 আগস্ট প্রকাশিত হয়েছিল।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমান্ত চুক্তি: 1974
সালের 16 মে ইন্দিরা গান্ধী ও শেখ মুজিবুর রহমানের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির অধীনে ভারত বেরুবাড়ি ইউনিয়ন নং ১২ ছিটমহল টিকিয়ে রাখে।
Q NO :-3
মিহির সেনের কৃতিত্ব
❏মিহির সেন একজন বিখ্যাত বাঙালি দীর্ঘ দূরত্বের সাঁতারু এবং আইনজীবী ছিলেন।
❏তিনি ১৪ ঘন্টা ৪৫ মিনিটে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেছিলেন।
❏তিনি পদ্মশ্রী ও পদ্ম ভূষণ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন।
❏তিনি এক ক্যালেন্ডার বছরে পাঁচটি মহাদেশের সমুদ্রে সাঁতার কাটা একমাত্র ব্যক্তি।
ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী আরও কিছু ভারতীয়
❏আরতি সাহা প্রথম ভারতীয় মহিলা যিনি ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেছিলেন।
❏বুলা চৌধুরী দুবার ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেছিলেন।
Q NO:-4
Expl:- ২০১৬ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই অলিম্পিককে XXXI অলিম্পিয়াডের গেমও বলা হয়।
২০১৬ সালের অলিম্পিক গেমসের বৈশিষ্ট্য:
❏আধুনিক অলিম্পিক গেমসের ২৮তম আসর ছিল এই অলিম্পিক।
❏দক্ষিণ আমেরিকায় প্রথমবারের মতো গ্রীষ্মকালীন বা শীতকালীন অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
❏পর্তুগিজ-ভাষী দেশে প্রথম অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
❏আয়োজক দেশের শীত মৌসুমে সম্পূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল প্রথম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক।
❏২০০০ সালের পর প্রথম দক্ষিণ গোলার্ধে অনুষ্ঠিত হয়েছিল অলিম্পিক গেমস।
অনির্বাণ লাহিড়ীর খেলার জীবন:
❏তিনি বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক গল্ফ টুর্নামেন্টে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
❏তিনি 2014 সালে অর্জুন পুরস্কারে ভূষিত হন।
❏তিনি 2016 সাল থেকে পিজিএ ট্যুরে পূর্ণ সময় খেলছেন।
❏2017 সালের মেমোরিয়াল টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় টাই হয়ে কেরিয়ারের সেরা শেষ করেন।
❏তিনি টোকিও অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করেছেন।
❏তিনি প্যারিস অলিম্পিক স্পটকে লক্ষ্য করেছেন।
❏তিনি ভারতীয় গল্ফের ট্রেইলব্লেজারদের একজন।
ক্লোরোফিলের রাসায়নিক গঠন:
❏ক্লোরোফিল কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), নাইট্রোজেন (N) ও ম্যাগনেসিয়াম (Mg) লোহা (Fe) নিয়ে গঠিত।
❏ক্লোরোফিল একটি পোরফাইরিন ডেরিভেটিভ।
❏ক্লোরোফিল হল একটি যৌগ যাকে কীলেট বলা হয়।
ক্লোরোফিলের কাজ:-
❏ক্লোরোফিল উদ্ভিদ এবং অন্যান্য সালোকসংশ্লেষকারী জীবের মধ্যে পাওয়া যায়।
❏সালোকসংশ্লেষণের প্রক্রিয়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
❏উদ্ভিদ এবং শৈবালকে তাদের সবুজ রঙ দেয়।
❏সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় আলো আটকে রাখার জন্য উদ্ভিদ ক্লোরোফিল ব্যবহার করে।
কফি উৎপাদন সম্পর্কিত তথ্য
❏ভারতের কফির বেশিরভাগ উৎপাদন হয় 10 হেক্টরের কম আয়তনের ছোট খামারে।
❏ভারতের কফি উৎপাদন 70 থেকে 99 শতাংশের মধ্যে হয় 10 হেক্টরের কম আকারের ছোট খামারে।
❏ভারতের কফি উৎপাদন মূলত দক্ষিণাঞ্চলে হয়।
❏চিকমাগালুর, কর্ণাটকের একটি শহর, যেখানে প্রাথমিকভাবে কফি উৎপাদিত হয়েছিল, আজও একটি প্রধান উৎপাদক হিসাবে অব্যাহত রয়েছে।
❏কফি চাষের বিভিন্ন দিক নিয়ে গবেষণা করার জন্য কফি বোর্ডের বালেহোন্নুর (চিক্কামাগালুরু জেলা) একটি কেন্দ্রীয় কফি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে।
অ্যান্টিমনির বৈশিষ্ট্য:
❏অ্যান্টিমনি একটি চকচকে ধূসর ধাতুকল্প।
❏এটি পৃথিবীর ভূত্বকের মধ্যে পাওয়া যায়।
❏প্রকৃতিতে এটি মূলত সালফাইড খনিজ স্টিবনেট (Sb2S3) হিসাবে পাওয়া যায়।
❏অ্যান্টিমনি নাইট্রোজেন গ্রুপের অন্তর্গত একটি ধাতব উপাদান।
❏অ্যান্টিমনি অনেক অ্যালোট্রপিক আকারে বিদ্যমান।
❏ জিনগত রোগ বা ব্যাধি হল কোনও ব্যক্তির জিনের সমস্যাজনিত কোনও রোগ।
❏বংশগত রোগ হল এমন রোগ যা উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত হয়।
❏বংশগত রোগের উদাহরণ হল সিকেল সেল অ্যানিমিয়া, সিস্টিক ফাইব্রোসিস বা হিমোফিলিয়া।
❏জেনেটিক মিউটেশন জৈবিক পিতামাতা থেকে শিশুদের কাছে যেতে পারে এবং কিছু ধরণের ক্যান্সার সহ কিছু রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
❏জিনগত রোগ দুটি শ্রেণীতে বিভক্ত করা যেতে পারে - মেন্ডেলিয়ান রোগ এবং ক্রোমোসোমাল ব্যাধি।
❏পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থার তিনটি স্তর রয়েছে: গ্রাম স্তরে গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লক স্তরে পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা স্তরে জেলা পরিষদ.
❏পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থা ভারতের গ্রামীণ এলাকার জন্য স্থানীয় স্ব-সরকারের একটি ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের পরিকল্পনা তৈরি ও বাস্তবায়ন করা হয়।
❏ভারতীয় সংবিধানের 73 তম সংশোধনীর মাধ্যমে পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থাকে আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়েছিল। পঞ্চায়েতি রাজ ভারতীয় উপমহাদেশের স্থানীয় সরকারের প্রাচীনতম ব্যবস্থা।
Q NO:-15
❏ভারতে পরিকল্পনা কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৫ মার্চ, ১৯৫০ সালে। প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর নেতৃত্বে এই অসাংবিধানিক সংস্থাটি গঠিত হয়েছিল। দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করাই এই সংস্থার মূল উদ্দেশ্য ছিল।
ভারতের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার উল্লেখযোগ্য কিছু:- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৫১-১৯৫৬), চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৬৯-১৯৭৪), দশম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০০২-২০০৭).
Q NO:-16
মিড-ডে-মিল স্কিমের বৈশিষ্ট্য:
❏এই স্কিমের আওতায় প্রতি স্কুল দিনে প্রতি শিশুকে বিনামূল্যে খাদ্যশস্য দেওয়া হয়।
❏২০০১ সালে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এই স্কিম সংশোধিত হয়েছিল।
❏সংশোধিত স্কিম অনুযায়ী, ১ থেকে ৫ শ্রেণীর শিশুদের রান্না করা মিড-ডে মিল দেওয়া হয়।
❏এই স্কিমের আওতায়, তালিকাভুক্তির হার, উপস্থিতি, এবং ধরে রাখার ব্যবস্থা করা হয়।
❏শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করা হয়।
❏শিশু অধিকারের কনভেনশনের অনুচ্ছেদ ২c অনুযায়ী, ❏ভারত শিশুদের জন্য "পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাদ্য" প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
দশ
ডিগ্রি প্রণালী
❏এটি বঙ্গোপসাগরে আন্দামান
দ্বীপপুঞ্জ এবং নিকোবর দ্বীপপুঞ্জকে একে অপরের থেকে পৃথক করে এবং আন্দামান ও নিকোবর
দ্বীপপুঞ্জে ভারতীয় কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠন করে।
নয়
ডিগ্রি প্রণালী
❏এটি মিনিকয় দ্বীপটিকে
মূল লক্ষদ্বীপপুঞ্জ থেকে পৃথক করে।
❏কালপেনি এবং সুহেলি
পার এবং মালেকু অ্যাটল এবং আমিন্দিভি সাবগ্রুপ একসাথে লক্ষদ্বীপের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল
গঠনকরে।
আট
ডিগ্রি প্রণালী
❏মালদ্বীপ এবং ভারতের
মধ্যে সমুদ্রসীমানা আট ডিগ্রি প্রণালী দিয়ে অতিবাহিত। এটি মিনিকয় এবং মালদ্বীপপুঞ্জকে
পৃথক করে।
❏মালিকু কান্দু এবং
মামালি কান্দু দিভোই আট ডিগ্রি চ্যানেলের ঐতিহ্যবাহী নাম।
কলকাতা মেট্রো সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য:
❏কলকাতা মেট্রো ভারতের প্রথম কার্যকরী দ্রুত ট্রানজিট সিস্টেম।
❏কলকাতা মেট্রোর প্রথম অংশটি ভবানীপুর (বর্তমানে নেতাজি ভবন) থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত ছিল।
❏কলকাতা মেট্রোর লাইন 2 বা পূর্ব-পশ্চিম করিডোরের একটি ছোট অংশ, সল্টলেক সেক্টর V থেকে ফুলবাগান পর্যন্ত 2020 সালে খোলা হয়েছিল।
❏কলকাতা মেট্রোর লাইন 3 বা জোকা-এসপ্ল্যানেড করিডোর 2022 সালে খোলা হয়েছিল। দিল্লি মেট্রো ভারতের দ্বিতীয় মেট্রো পরিষেবা।
Q NO :-19
সার্কের বিষয়ে আরও কিছু তথ্য:
❏সার্কের পুরো নাম হল সাউথ এশিয়ান এসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল কোঅপারেশন।
❏8 ডিসেম্বর, 1985 সালে ঢাকায় সার্ক সনদে স্বাক্ষরের মাধ্যমে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
❏সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
❏সার্কের লক্ষ্য হল সদস্য দেশগুলির মধ্যে অর্থনৈতিক এবং আঞ্চলিক সমন্বয় বৃদ্ধি করা।
❏বাংলাদেশের গোলাম সারোয়ার সার্কের বর্তমান মহাসচিব।
❏সার্কের মহাসচিব সদস্য দেশগুলি থেকে বর্ণানুক্রমিকভাবে নির্বাচিত হন।
কালো এঁটেল মাটি
❏পানি ধারণ ক্ষমতা বেশি হওয়ায় এই মাটি তুলা চাষের জন্য উপযুক্ত।
❏উত্তরাঞ্চলের সুনিষ্কাশিত গভীর পলিমাটি এবং মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন গভীরতার কালো এঁটেল মাটি তুলা চাষের জন্য উপযুক্ত।
কৃষ্ণ মৃত্তিকা
❏কৃষ্ণ লাভা মৃত্তিকা নামেও পরিচিত।
❏এই মাটি কৃষ্ণ বর্ণের এবং কাদামাটি ও লাভা শিলা সমৃদ্ধ।
❏এতে চাষের জন্য উপযুক্ত ফসল হ'ল তুলো, আখ, তামাক, বাজরা, গম এবং তৈলবীজ।
ল্যাটেরাইট মাটি
❏উচ্চ ক্যালসিয়াম এবং পটাশ থাকায় এই মাটি তুলা চাষের জন্য উপযুক্ত।
❏দাক্ষিণাত্য মালভূমির অভ্যন্তরে আগ্নেয়গিরির মধ্যে বিশাল অঞ্চল জুড়ে লাভা বিতরণের ফলে এই মাটির সৃষ্টি হয়েছে।
তুলা লবণাক্ততার প্রতি আধা-সহনশীল এবং জলাবদ্ধতার প্রতি সংবেদনশীল। তাই সুনিষ্কাশিত মাটি পছন্দ করে।
- ধরা যাক, ট্রেন এবং প্ল্যাটফর্ম উভয়টির দৈর্ঘ্য x মিটার।
- প্ল্যাটফর্মটিকে অতিক্রম করতে হলে, ট্রেনটিকে (x + x) = 2x মিটার পথ অতিক্রম করতে হবে।
- ট্রেনটি 1 মিনিটে বা 60 সেকেন্ডে প্ল্যাটফর্মটি অতিক্রম করে।
- ট্রেনের গতিবেগ 90 কিমি/ঘন্টা, যা মি/সেকেন্ড-এ 25 মি/সেকেন্ড।
- 90 কিমি/ঘন্টা = 90 * (5/18) মি/সেকেন্ড = 25 মি/সেকেন্ড।
- 90 কিমি/ঘন্টা = 90 * (5/18) মি/সেকেন্ড = 25 মি/সেকেন্ড।
- দূরত্ব = গতিবেগ * সময়।
- 2x = 25 * 60
- 2x = 1500
- x = 750 মিটার
- 2x = 25 * 60
- সুতরাং, ট্রেনটির দৈর্ঘ্য 750 মিটার।
- দৈর্ঘ্য (l): 5 সেমি
- প্রস্থ (b): a সেমি
- উচ্চতা (h): 3 সেমি
ক্ষেত্রফল = 2(5a + 3a + 15)
ক্ষেত্রফল = 2(8a + 15)
ক্ষেত্রফল = 16a + 30
- ক্ষেত্রফল = 2(দৈর্ঘ্য × প্রস্থ + প্রস্থ × উচ্চতা + উচ্চতা × দৈর্ঘ্য)
= 2(20 + 12 + 15)
= 2 × 47
= 94 বর্গ সেমি
ans:- 5
Expl:- সুষম পঞ্চভুজের কর্ণের সংখ্যা ৫।
❏প্রতিটি শীর্ষবিন্দু থেকে বিপরীত শীর্ষবিন্দুতে রেখা টানলে কর্ণ পাওয়া যায়।
❏প্রতিটি শীর্ষবিন্দুতে দুটি করে কর্ণ থাকে।
❏তাই, প্রতিটি শীর্ষবিন্দু থেকে প্রতিটি কর্ণ দুবার গণনা করলে মনে হতে পারে যে ১০টি কর্ণ ছিল।
❏বহুভুজের কর্ণের সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র হল, কর্ণের সংখ্যা = ১/২ × n × (n - ৩), যেখানে n = বহুভুজের বাহুর সংখ্যা।
বহুভুজের কর্ণের সংখ্যা
❏বাহুর সংখ্যা ৩ হলে কর্ণের সংখ্যা ০।
❏বাহুর সংখ্যা ৪ হলে কর্ণের সংখ্যা ২।
❏বাহুর সংখ্যা ৬ হলে কর্ণের সংখ্যা ৯।
- সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণ এবং একটি বহির্গত কোণের যোগফল 180°।
- অতএব, যদি অন্তঃকোণ 150° হয়, তাহলে বহির্গত কোণ হবে 180° - 150° = 30°।
- বহুভুজের বাহু সংখ্যা বের করতে, 360° কে বহির্গত কোণের মান দিয়ে ভাগ করতে হয়।
- সুতরাং, বাহু সংখ্যা = 360° / 30° = 12।

0 মন্তব্যসমূহ
Thank you