Ticker

100/recent/ticker-posts

Translate

গৌড় বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় এর 3rd Semester এর জন্য ইতিহাসের প্রশ্ন ও উত্তর

 








Answer script Front Page Download করার জন্য নিচের DOWNLOAD BUTTION ক্লিক করুন👇👇👇




টিকা লেখ

**স্কন্দন গুপ্ত**

স্কন্দগুপ্ত ( ৪55-৪৬৭ খ্রিঃ ) : -হন আক্রমণ পিতার মৃত্যুর পর ‘ বিক্রমাদিত্য ’ উপাধি ধারণ করে স্কন্দগুপ্ত সিংহাসনে বসেন । তাঁর রাজত্বকালে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল হন আক্রমণ প্রতিহত করা । এ সময় মধ্য এশিয়া থেকে আগত নিষ্ঠুর ও দুর্ধর্ষ হুনদের একটি শাখা হিন্দুকুশ পর্বতমালা অতিক্রম করে গান্ধারে প্রবেশ করে । তারা ভারতের অভ্যন্তরে আরও অগ্রসর হতে শুরু করলে গুপ্ত সাম্রাজ্যের নিরাপত্তা চরমভাবে বিঘ্নিত হয় । স্কন্দগুপ্ত তাদের বিরুদ্ধে অগ্রসর হন এবং শেষ পর্যন্ত তাদের এমন চূড়ান্তভাবে পরাজিত করেন যে , পরবর্তী পঞ্চাশ বছরের মধ্যে তারা আর গুপ্ত সাম্রাজ্য আক্রমণে সাহসী হয় নি । দুর্ধর্ষ হনদের বিরুদ্ধে এই সাফল্যের জন্য ডঃ রমেশচন্দ্র মজুমদার স্কন্দগুপ্তকে ‘ ভারতের রক্ষাকারী ’ বলে অভিহিত করেছেন । তিনি ছিলেন গুপ্ত সাম্রাজ্যের শেষ শক্তিশালী উল্লেখযোগ্য নরপতি । বৈষ্মবধর্মাবলম্বী হয়েও তিনি ছিলেন পরধর্মসহিষ্ণু । তাঁর শাসনব্যবস্থা ছিল সুদক্ষ কৃষির উন্নতির জন্য তিনি জলসেচের দিকে সতর্ক দৃষ্টি দিতেন । তাঁর আমলে সুদর্শন হ্রদের বাঁধটি হয়েছে । ৪৬৭ খ্রিস্টাব্দে তাঁর মৃত্যু হয় ।. পুনর্নির্মিত হয় । ‘ আর্যমঞ্জুশ্রীমূলকল্প ' গ্রন্থে তাঁকে একজন ‘ শ্রেষ্ঠ ন্যায়সম্পন্ন নিরপেক্ষ বিচারক ’ বলা হয়েছে। ৪৬৭ খ্রিস্টাব্দে তার মৃত্যু হয়।

**বাতাপির চালুক্য  বংশ**

ষষ্ঠ খ্রিস্টাব্দ থেকে অষ্টম খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত চালুক্য বংশ দক্ষিণ ভারতের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল । ‘ বাদামি ’ বা ‘ বাতাপি ’ ছিল এদের রাজধানী । তাই এদের ‘ বাতাপির চালুক্য ' নামে অভিহিত করা হয় । এরা ‘ পশ্চিমি চালুক্য ’ নামেও পরিচিত ছিল । প্রকৃত অর্থে স্বাধীন চালুক্য শাসনের সূচনা করেন প্রথম পুলকেশী । বাদামির চালুক্য বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ নৃপতি ছিলেন দ্বিতীয় পুলকেশী । চালুক্যদের আদি পরিচয় সম্পর্কে মতভেদ আছে । ডি . সি সরকার , আর . এস . শর্মার মতে , চালুক্যরা ছিল দাক্ষিণাত্যের কানাড়া অঞ্চলের দ্রাবিড় জাতির মানুষ । ড . ভি . স্মিথের মতে , এরা ছিল গুর্জর বংশের একটি শাখা এবং কোনো সময় রাজপুতানা থেকে এসে দাক্ষিণাত্যে বসতি স্থাপন করেছিল সম্ভবত চালুক্যরাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বিজয়াদিত্যের পূর্বপুরুষগণ দাক্ষিণাত্যে এসে হিরণরাষ্ট্র অঞ্চলে বসবাস শুরু করেন । এঁরা প্রথমে অন্ধ্রদের অধীনস্ত ছিল । অহ্রদের পতনের পর ইক্ষ্বাকুবংশের অধীনস্ত হন । পরবর্তীকালে এঁরা আরও পশ্চিমে অগ্রসর হয়ে বাতাপিকে কেন্দ্র করে রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন ।

**পল্লব স্থাপত্য**

পল্লবদের শিল্পকীর্তি ইতিহাসে তাঁদের অমর করে রেখেছে । পল্লব বংশের মধ্য দিয়েই দক্ষিণ ভারতের স্থাপত্য ও ভাস্কর্যের ইতিহাসের সূত্রপাত হয়েছে প্রকৃত দ্রাবিড় শিল্প এবং ভাস্কর্যের প্রথম পরিচয়ও পল্লব শিল্প - ভাস্কর্যের মধেই পাওয়া যায় । রাজধানী কাঙ্খীতে এবং নরসিংহ বর্মন প্রতিষ্ঠিত মহাবলীপুরনে পল্লব শিল্পের অপূর্ব নিদর্শন আজও দর্শকের বিস্ময় উৎপাদন করে । প্রথম মহেন্দ্র বর্মন মহাবলীপুরমে পাহাড় কেটে মন্দির নির্মাণের রীতি প্রবর্তন করেছিলেন কাঞীর কৈলাসনাথের মন্দির ও মহাবলীপুরমে রথমন্দিরগুলি পল্লব স্থাপত্যকলার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন । কাঞ্চীর অপরাপর মন্দিরগুলির মধ্যে ঐরাবতেশ্বর মন্দির বিশেষ উল্লেখযোগ্য । পাহাড়ে খোদাই করা এই মন্দিরগুলির নির্মাণ - কৌশল ও সেগুলির গঠন - সৌন্দর্য আজও সকলের বিস্ময় উদ্রেক করে । কালক্রমে মহাবলীপুরম দক্ষিণ ভারতীয় স্থাপত্য এবং ভাস্কর্যের জন্মভূমি বলে চিহ্নিত হয় । পাহাড়ে খোদাই করা মন্দির এবং নানা আনুষঙ্গিক মূর্তি পল্লব শিল্পীদের নৈপুণ্যের পরিচয় বহন করে । মহাবলীপুরমে যে সকল মন্দির আছে তা মহাভারতের উপাখ্যানের সঙ্গে জড়িত । পল্লব স্থাপত্য রীতি শুধু দক্ষিণ ভারতেই সীমাবদ্ধ ছিল না , দূরপ্রাচ্যের ভারতীয় উপনিবেশগুলিতেও এর প্রভাব বিস্তৃত হয়েছিল । শ্রীলঙ্কা , জাভা , কম্বোডিয়া এবং আনাম - এর স্থাপত্য রীতিতে পল্লব শিল্পের প্রভাব বিশেষভাবে পরিলক্ষিত হয় ।

*** বঙ্গদেশের ইতিহাসে শশাঙ্কের কৃতিত্বের মূল্যায়ন করো । পুষ্যভূতিদের সঙ্গে তাঁর কী সম্পর্ক ছিল ? 

                            অথবা ,  

বাংলার ইতিহাসে শশাঙ্কের অবদান মূল্যায়ন করো । পুষ্যভূতিদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কীরূপ ছিল ?

 উত্তর:- ১)গৌড়াধিপতি শশাঙ্ক : - প্রাচীনতম কাল থেকে বাংলাদেশের ধারাবাহিক ইতিহাসের পরিপূর্ণ চিত্র পাওয়া যায় না । বহু স্থানে তথ্যের পরিধি সীমাবদ্ধ হওয়ায় এবং তথ্যের অভাব থাকায় সমস্ত ইতিহাসকে সুসংবদ্ধভাবে গ্রথিত করা সন্তুপর হয়নি ২) বংশ পরিচয় ও পূর্বজনীনঃ- বাংলাদেশের ইতিহাসে গৌড়ের রাজা শশাঙ্ক এক বিশেষ উল্লেখযোগ্য চরিত্র । তিনিই বাংলাদেশের প্রথম সার্বভৌম নরপতি যিনি উত্তর ভারতের কনৌজে প্রভাব বিস্তার করেছিলেন । তাঁর বংশ পরিচয় এবং পূর্বজনীন সম্বন্ধে কোন সঠিক বিবরণ পাওয়া যায় নি । কোন কোন ঐতিহাসিক তাঁকে গুপ্ত বংশের সঙ্গে যুক্ত করলেও তা সর্বজনস্বীকৃত হয় নি । রোটাসগড় লেখে 'শ্রীমহাসামও শশাঙ্ক ' নাম খোদিত রয়েছে । তাই ঐতিহাসিকগণ ধারণা করেন যে , তিনি পূর্বজনীন সামস্ত ছিলেন । কিন্তু কার অধীনে তিনি সামস্ত রাজা ছিলেন সে বিষয়ে নিশ্চয় করে কিছু বলা যায় না । দীনেশ চন্দ্র সরকারের মতে , শশাঙ্ক গৌড়ের চন্দ্রবংশীয় কোন রাজার সামস্ত ছিলেন । পরে তিনি গৌড়ের সিংহাসন দখল করেন । তাঁর সম্বন্ধে যেটুকু নিশ্চিতরূপে জানা যায় তা হলো যে , তিনি ৬০৬% খ্রিস্টাব্দের পূর্বে গৌড়ের রাজা হয়েছিলেন এবং তাঁর রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণে । ঐতিহাসিকগণ মনে করেন যে , মুর্শিদাবাদ জেলার রাঙামাটিতে কর্ণসুবর্ণ ( বর্তমান নাম কানাসোনা ' ) অবস্থিত ছিল । 

৩) শশাঙ্কের সাম্রাজ্য বিস্তার : গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর যখন উত্তর ভারতে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছিল তখন রাজা শশাঙ্ক গৌড়ে স্বাধীন সার্বভৌম রাজ্য স্থাপন করেছিলেন । বাণভট্টের ‘ হর্ষচরিত ’ এবং হিউয়েন সাঙ - এর বিবরণ থেকে গৌড় রাজ্যের স্বাধীন অস্তিত্বের সংবাদ পাওয়া যায় । তিনি বাহুবলের সাহায্যে এই রাজ্যকে বিস্তৃত করে তাকে বিশাল সাম্রাজ্যে রূপান্তরিত করেছিলেন । দক্ষিণদিকে দণ্ডভুক্তি ( বর্তমান মেদিনীপুর ) , উৎকল ( বর্তমান উড়িষ্যা ) ও কঙ্গোদ রাজ্য ( গঞ্জাম ) তাঁর সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল । ' আর্যমঞ্জুশ্রীমূলকল্প ’ গ্রন্থ থেকে জানা যায় যে , পশ্চিমদিকে তাঁর সাম্রাজ্য বারাণসী পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এবং তিনি মগধে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন । মনে হয় অঙ্গরাজ্যও তাঁর অধীনতা স্বীকার করেছিল ।

৪) উত্তর ভারতে ক্ষমতা বিস্তার : শশাঙ্ক শুধুমাত্র রাজ্য জয় করেই ক্ষান্ত ছিলেন না । তৎকালীন উত্তর ভারতে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশগ্রহণ এবং মৌখরি রাজগণের ক্ষমতা চূর্ণ করা শশাঙ্কের অন্যতম প্রধান কীর্তি । সেই সময় কনৌজের মৌখরি রাজবংশ উত্তর ভারতে অত্যন্ত প্রতিপত্তিশালী ছিল । মৌখরিরাজ গ্রহবর্মা থানেশ্বরের পুষ্যভূতি বংশের রাজা প্রভাকরবর্ধনের কন্যা রাজ্যশ্রীকে বিবাহ করে থানেশ্বরর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন । শশাঙ্ক তাঁর অসাধারণ কুটনৈতিক বুদ্ধি বলে তৎকালীন উত্তর ভারতের রাজনৈতিক অবস্থার সুযোগ গ্রহণ করেন । মালবরাজ দেবগুপ্ত মৌখরিদের শত্রু ছিলেন এই সুযোগে শশাঙ্ক মালবরাজ দেবগুপ্তের সঙ্গে মিত্রতা স্থাপন করেন । ইতিমধ্যে থানেশ্বররাজ প্রভাকরবর্ধনের মৃত্যুর সুযোগে দেবগুপ্ত মৌখরিরাজ গ্রহবর্মাকে যুদ্ধে পরাজিত ও নিহত করেন এবং গ্রহবর্মার পত্নীরাজশ্রীকে বন্দী করেন । গ্রহবর্মার মৃত্যুর পর থানেশ্বর রাজ রাজ্যবর্ধন এর প্রতিবিধান করতে শশাঙ্কের বিরুদ্ধে অগ্রসর হন । কিন্তু মশাদের হাতে রাজাবর্ষন পরাজিত ও নিহত তিনি এবং হিউয়েন সাঙ - এর বিবরণ থেকে জানা যায় যে , শশাঙ্ক বিশ্বাস করে রাজার ধনকে হত্যা করেছিলেন , কিন্তু হবেন শিলালেখে সেরূপ কোন উল্লেখ নেই । তাছাড়া বাণভট্ট ও হিউয়েন সাঙ দুজনেই ছিলেন নে হর্ষবর্ধনের অনুগৃহীত ও শশা বিরোধী । আধুনিক ঐতিহাসিকেরা সেজন্য এই ঘটনার সত্যতা সম্বন্ধে সন্দেহ প্রকাশ করেন।

) হষ ও শশাঙ্ক : যা হোক , রাজ্যবর্ধনের মৃত্যুর পর তাঁর ভ্রাতা হয় । প্রথমে থানেশ্বর ও পরে কনৌজের শুন্য সিংহাসনে আরোহণ করেন । শশাঙ্ক শান্তিদান হষের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল । এই উদ্দেশ্যে তিনি কামরূপর ভাস্করবর্মার সাহায্যে গ্রহণ করেছিলেন । কিন্তু বিভিন্ন ঐতিহাসিক উপাদান থেকে জানা যায় যে , শশা যতদিন জীবিত ছিলেন হর্যের পক্ষে তাঁকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করা সম্ভব হয় নি । যে হয় প্রায় সময় উত্তর ভারত জয় করেছিলেন তাঁর বিজয়ী বাহিনীকে প্রতিরোধ করে শশাঙ্ক সামরিক শক্তির পরিচয় দিয়েছিলেন । শশাস্ত্রের মৃত্যুর পর কামরুগরাজ ভাস্কর বর্মা শশাস্ত্রের রাজধানী কর্ণসুব অধিকার করেন । এই সময়ে স্বাধীন গৌড় রজা বিলুপ্ত হয় । হযও সম্ভবঃ বাংলাদেশের কোন কোন অংশ এবং মাষ অধিকার করেছিলেন । হিউয়েন সাঙ তাঁর বিবরণের এং জায়গায় লিখেছেন শশাঙ্ক গয়ায় বোধিবৃত্ত ছেদন করেছিলেন এবং নিকটবর্তী একটি মন্দিরের বুদ্ধমুর্তিটি ধ্বংস করার আদেশ দেন । এর ফলে শশাঙ্ক রোগতত হয়ে পড়েন এবং অল্পদিনের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয় । অর্থাৎ শশাঙ্ক ৬২৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন নরপতি হিসেবে । বাংলাদেশ শাসন করেছিলেন । 

 ৬) শশাঙ্ক কি বৌদ্ধ - বিরোধী ছিলেন ?  ঃ-

শশাঙ্ক শিবের উপাসক ছিলেন । তিনি তীব্র বৌদ্ধ - বিদ্বেষী ছিলেন বলে হিউয়েন সাঙ - এর বিবরণেও পরবর্তীকালের বৌদ্ধ পুঁথিপত্রে বলা হয়েছে । সপ্তম শতকের দৃষ্টি ভঙ্গির বিচার করলে এটা এমনকিছু অস্বাভাবিক নয় । তবে তাঁর বিরুদ্ধে গয়ায় বোধিবৃদ্ধ ছেদন ও বুদ্ধমূর্তি ভাঙ্গার য কাহিনী প্রচার করা হয়েছে তাঁর চরিত্রহনন ছাড়া আর কিছুই নয় । কারণ হিউয়েন সাঙ শশাস্ত্রের মৃত্যুর অল্পকাল পরেই গৌড়বতো এসেছিলেন এবং শশাঙ্কের রাজধানী কর্ণসুবর্ণে ও তাঁর রাজ্যের সর্বত্র বৌদ্ধধর্মের বেশ প্রভাব ও প্রতিপত্তি লক্ষ্য করেছিলেন । তিনি তাঁর বিবরণে গৌড়ে অসংখ্য বৌদ্ধবিহার ও বৌদ্ধভিক্ষুর অবস্থিতির উল্লেখ করেছেন । শশাঙ্ক যদি বৌদ্ধধর্ম - বিরোধী হতেন তাহলে পরবর্তীকালে গৌড়বঙ্গে বৌদ্ধধর্মের প্রসার হতো না । 

 ৭) কৃতিত্ব  ঃ শশাঙ্ক একজন সাধারণ সামন্ত রাজা হিসেবে জীবন শুরু করে এক বিশাল রাজ্যের অধীশ্বর হয়েছিলেন । তিনিই বাংলার প্রথম শাসক যিনি সাম্রাজ্য বিস্তারের স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং তাঁর স্বপ্নকে প্রায় বাস্তবে পরিণত করেছিলেন । তিনি তাঁর আকাঙ্ক্ষা এবং আদর্শকে বাস্তবে রূপায়িত করে পরবর্তীকালে সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন । শুধু বাংলাদেশের ইতিহাস নয় , সপ্তম শতাব্দীর ভারতবর্ষের ইতিহাসে রাজা শশাঙ্ক তাঁর অসাধারণ যোগ্যতা কৃতিত্বের পরিচয় রেখে গেছেন । শশাঙ্কের পূর্বপুরুষ বা উত্তরাধিকারীদের সম্বন্ধে প্রায় কিছুই জানা যায়নি । ইতিহাসের রঙ্গমঞে ধূমকেতুর মতো আবির্ভূত হয়ে তিনি অকস্মাৎ অন্তর্হিত হয়ে যান ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

4 মন্তব্যসমূহ

Thank you